home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে চাই সচেতনতা
১৭ ফেব্রুয়ারী, ১৪
Tagged In:  manage diabetes  about diabetes  
  Viewed#:   207   Comments#:   1   Favorites#:   2

Diabetes-controlফাস্টফুডের দোকানের সাজানো বাহারি খাবার দেখে দীর্ঘশ্বাস; বিয়েবাড়ি বা অনুষ্ঠানে অন্যরা কবজি ডুবিয়ে মাংস-পোলাও-মিষ্টি খেলেও আপনি হতাশ দৃষ্টিতে তাকিয়ে; কারণ আপনার রয়েছে ওই খাবারগুলোর সঙ্গে অলিখিত শত্রুতা। সকালে ঘুম থেকে উঠেই বরাদ্দ তেতো সবজি, ডায়েট চার্টের ঠেলায় নাভিশ্বাস ওঠার পালা। ডায়বেটিস থাকলেই মেপেজুখে জীবন কাটাতে হবে, এটি কিন্তু এখন সত্যিই মান্ধাতার ভাবনা। আপনিও আর ৫ জনের মতো স্বাভাবিক জীবন কাটাতে পারেন। 

সমস্যা যেখানে 
দুই ধরনের ডায়বেটিস—  ১. টাইপ-১ ২. টাইপ-২।  টাইপ -১ ডায়বেটিস বেশিরভাগই ৫ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে হয়। ইনসুলিনের উত্পাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। কোনও ভাইরাস ইনফেকশন বা কোনও ফরেন প্রোটিনের উপস্থিতির কারণে এটি হতে পারে। তখনই রোগীকে হাসপাতালে না পাঠালে বা ইনসুলিন না দিলে সমূহ বিপদ। হু-হু করে ওজন কমে যাওয়া, ক্লান্তিবোধ ইত্যাদি তাদের নিত্যসঙ্গী। আজকাল তরুণ প্রজন্ম সচরাচর ডায়াবেটিসের শিকার হচ্ছে। এ জন্য জিনগত কারণ ছাড়াও টিনএজ  স্থূলতা ( Obesity) দায়ী। শারীরিক পরিশ্রম প্রায় নেই। স্ট্রেস, প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যেস অন্যতম factor. তাই প্রয়োজন সঠিক Diet ও Stress নিয়ন্ত্রণ।
 
ডায়বেটিস রোগীদের মধ্যে ৯৯ শতাংশই টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন। কারণ হিসেবে বংশগত, বয়স বড়ার কারণে অন্যতম। বয়স বাড়ার সঙ্গে-সঙ্গে স্থূলতা,  উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ইত্যাদির প্রবণতাও বেশি থাকে।  বংশগত কারণ, ইনসুলিন তৈরি না হওয়া বা ইনসুলিন সঠিকভাবে কাজ না করা, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ইত্যাদি টাইপ-২ ডায়াবেটিসের জন্য দায়ী। এছাড়া আরও ২ ধরনের ডায়বেটিস আছে— প্রেগন্যান্সি ডায়বেটিস আর সেকেন্ডারি ডায়বেটিস, যা মূলত হরমোনের কারণে হয়। 

ডায়বেটিসের উপসর্গ 
তৃষ্ণা পাবে বেশি, বারবার ইউরিন যাওয়া, ক্লান্তিবোধ,ওজন কমে যাওয়া, কোথাও কেটে গেলে তাড়াতাড়ি শুকোতে না চাওয়া, চোখে দেখতে সমস্যা, বারবার ইনফেকশন হওয়া ইত্যাদি। 

ডায়বেটিসের জটিলতা
মাত্রাছাড়া ব্লাড গ্লুকোজকে বলে হাইপারগ্লাইসেমিয়া। এতে আক্রান্ত হতে পারে হার্ট, স্কিন, কিডনি, দাঁত, চোখ ও পা। এছাড়া খুব সহজেই ইনফেকশন হয়ে joint pain হতে পারে।

চিকিত্সা 
গ্লুকোজ মনিটর করা খুবই জরুরি।  যেহেতু ইনসুলিনের অভাবে বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ফলে ডায়বেটিস হয়ে থাকে, তাই ইনসুলিনের প্রয়োজন হয়। ওষুধও খেতে দেওয়া হয়। আধুনিক চিকিত্সার বদৌলতে Diabetic longstop করা সহজ।

নিয়মিত গ্লুকোজ মনিটর পদ্ধতি    
Tissue fluid-এ একটি Sensor রেখে ১৫ মিনিট অন্তর Blood Glucose monitor করা হয়। নিবির পর্যবেক্ষণ ( Intensive monitoring) এর ক্ষেত্রে এটি কার্যকর।

ইনসুলিন পাম্প
ভয়ানক হাইপারগ্লাইসেমিয়া এর ক্ষেত্রে এ যন্ত্রটি Catheters-এর মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্নভাবে Insulin supply দেয়। Blood glucose fluctuate ev DVv-bvgvi কারণে Insulin pump কাজ করে।  

নিয়ন্ত্রণে  রাখুন
কোলেস্টেরল, রক্তচাপ ও ওজন।  স্থূলতার ক্ষত্রে ওজন কমানো জরুরি। সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ব্যায়াম করুন। 

খাদ্যাভাস : Balanced diet ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে জরুরি। ৩টি major meal আর ৩টি snacks জরুরি। কমপ্লেক্ট কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার যুক্ত খাবার যেন Diet-এ থাকে। শাকসবজি ও ফল যত পরিমাণে খাবেন ততই ভালো।  স্যাচুরেটেড চর্বি, ডিম, মাখন, এড়িয়ে চলুন— মিষ্টি, কেক, কুকিজ, চকলেট, প্রোটিন বেশি করে খান— আপেল, নাসপাতি, পেঁপে, চিনস, ব্রাউন রাইস, রুটি, মাছ আর স্কিনলেস চিকেন, কম মাত্রার দুধছানা, Herbals Pv খেতে পারেন।

সূত্র - দৈনিক আমাদের সময়

Please Login to comment and favorite this Health Tip

Comments

Shanna Shila | Feb 18, 2014

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি খুবই ভালো একটা টিপস।

Next Health Tips: ত্বকের সমস্যায় ব্রণ
Previous Health Tips: নখের সুরক্ষায়

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')