দক্ষিণ এশিয়ায় টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। গবেষকরা বলছেন, টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে কফি। কফি পানের মাত্রাটা একটু বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। সেক্ষেত্রে, পরিমাণটা ১ কাপের বেশি হতে হবে। তবে কত কাপ কফি পান করতে হবে, তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। এর আগেও নানা গবেষণায় কফির নানামুখী উপকারিতার কথা প্রমাণিত হয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, রক্তের গ্লুকোজের মাত্রাকে কমিয়ে আনতে সাহায্য করে কফি। আর তা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায়। ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন এক গবেষক বলছেন, ৪ বছর সময় ধরে যারা নিয়মিত প্রতিদিন ১ কাপের বেশি কফি পান করেছেন, তাদের টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ১১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে, যারা ১ কাপ বা তার কম কফি পান করেছেন, তাদের ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হয়েছে নেতিবাচক পরিবর্তন। ‘ডায়াবেটোলজিয়া’ সাময়িকীতে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথের গবেষকরা বলছেন, যারা কফি পানের মাত্রা পূর্বের তুলনায় দিনে ১ কাপেরও বেশি হ্রাস করেছেন, তারা টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে ১৭ শতাংশ বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।
সূত্র - দৈনিক মানবজমিন

