home top banner

খবর

‘ডায়াবেটিস পুরোপুরি সারবে’
০৮ ফেব্রুয়ারী, ১৪
Tagged In:  about diabetes   Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   44

ইঁদুরের ওপর সফল পরীক্ষা চালানোর পর ডায়াবেটিস থেকে পুরোপুরি সেরে উঠার চিকিৎসা বের করার ক্ষেত্রে  যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানী অনেক দূর এগিয়েছেন বলে গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

টাইপ ১ ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের শরীরে বিশেষ পদ্ধতিতে কোষ প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এ রোগ পুরোপুরি সারিয়ে তোলা যাবে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা।  

সাধারণত শৈশব কিংবা যৌবনের প্রথমভাগে মানুষের এই ধরনের ডায়াবেটিস দেখা দেয়। তারপর জীবনের বাকিটা সময় ইনসুলিন গ্রহণের মধ্য দিয়ে তাদের চলতে হয়। 

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একদল বিজ্ঞানী গবেষণাগারে  ইঁদুরের দেহে  স্টেম সেল প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সফলতা পেয়েছেন। এ পদ্ধতিতে মানুষের ক্ষেত্রে  টাইপ১ ডায়াবেটিস  চিকিৎসায় সফলতা আনা সম্ভব বলে তারা মনে করছেন।

গবেষণার বিস্তারিত তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়,  প্রথমে ইঁদুরের চামড়া থেকে কোষ সংগ্রহ করা হয়, যাকে ‘ফাইব্রোব্লাস্ট’ বলা হয়। এরপর এসব কোষের জিনবিন্যাসে পরিবর্তন ঘটিয়ে এন্ডোডার্ম কোষে রূপান্তর করা হয়। সেগুলোর আরো রূপান্তর ঘটিয়ে প্রাথমিক অগ্ন্যাশয় কোষের  মত করা হয়, যাকে পিপিএলসি বলা হয়।  এই পিপিএলসি ইনসুলিন নিঃসরণকারী বিটা সেলে পরিণত হয় কি না সে পরীক্ষা করে সফল হন বিজ্ঞানীরা।

এরপর রক্তে উচ্চ মাত্রার গ্লুকোজ সম্পন্ন ইঁদুরের দেহে পিপিএলসি প্রবেশ করানো হয়। এর সপ্তাহখানেক পরে ওই ইঁদুরের রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসে।

গবেষক দলের সদস্য কে লি বলেন,  “স্টেম সেল প্রতিস্থাপনের এক সপ্তাহের মধ্যেই ইঁদুরগুলোর ‘সুগার লেভেল’ কমতে থাকে। ধীরে ধীরে সাধারণ মাত্রায় চলে আসে।  তখন আমরা প্রতিস্থাপিত কোষটি বের করে নিয়ে আসি। এরপর আবারো দ্রুত গ্লুকোজ বাড়তে থাকে।”

কে লি বলেন, পিপিএলসি প্রতিস্থাপনের আট সপ্তাহের মাথায় এগুলো পুরোপুরি ইনসুলিন নিঃসরণকারী বিটা সেলের মতো কাজ করতে থাকে।

এভাবেই মানুষের ক্ষেত্রেও ডায়াবেটিস নিরাময় সম্ভব বলে তারা মনে করছেন।

সূত্র - bdnews24.com

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: শিশুর রোগ সংক্রমণ কমায় কুকুরের সান্নিধ্য
Previous Health News: চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন ফখরুল

আরও খবর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... আরও দেখুন

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... আরও দেখুন

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... আরও দেখুন

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... আরও দেখুন

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... আরও দেখুন

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')