ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে চাই সচেতনতা
17 February,14
Viewed#: 203 Comments#: 1 Favorites#: 2
ফাস্টফুডের দোকানের সাজানো বাহারি খাবার দেখে দীর্ঘশ্বাস; বিয়েবাড়ি বা অনুষ্ঠানে অন্যরা কবজি ডুবিয়ে মাংস-পোলাও-মিষ্টি খেলেও আপনি হতাশ দৃষ্টিতে তাকিয়ে; কারণ আপনার রয়েছে ওই খাবারগুলোর সঙ্গে অলিখিত শত্রুতা। সকালে ঘুম থেকে উঠেই বরাদ্দ তেতো সবজি, ডায়েট চার্টের ঠেলায় নাভিশ্বাস ওঠার পালা। ডায়বেটিস থাকলেই মেপেজুখে জীবন কাটাতে হবে, এটি কিন্তু এখন সত্যিই মান্ধাতার ভাবনা। আপনিও আর ৫ জনের মতো স্বাভাবিক জীবন কাটাতে পারেন।
সমস্যা যেখানে
দুই ধরনের ডায়বেটিস— ১. টাইপ-১ ২. টাইপ-২। টাইপ -১ ডায়বেটিস বেশিরভাগই ৫ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে হয়। ইনসুলিনের উত্পাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। কোনও ভাইরাস ইনফেকশন বা কোনও ফরেন প্রোটিনের উপস্থিতির কারণে এটি হতে পারে। তখনই রোগীকে হাসপাতালে না পাঠালে বা ইনসুলিন না দিলে সমূহ বিপদ। হু-হু করে ওজন কমে যাওয়া, ক্লান্তিবোধ ইত্যাদি তাদের নিত্যসঙ্গী। আজকাল তরুণ প্রজন্ম সচরাচর ডায়াবেটিসের শিকার হচ্ছে। এ জন্য জিনগত কারণ ছাড়াও টিনএজ স্থূলতা ( Obesity) দায়ী। শারীরিক পরিশ্রম প্রায় নেই। স্ট্রেস, প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যেস অন্যতম factor. তাই প্রয়োজন সঠিক Diet ও Stress নিয়ন্ত্রণ।
ডায়বেটিস রোগীদের মধ্যে ৯৯ শতাংশই টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন। কারণ হিসেবে বংশগত, বয়স বড়ার কারণে অন্যতম। বয়স বাড়ার সঙ্গে-সঙ্গে স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ইত্যাদির প্রবণতাও বেশি থাকে। বংশগত কারণ, ইনসুলিন তৈরি না হওয়া বা ইনসুলিন সঠিকভাবে কাজ না করা, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ইত্যাদি টাইপ-২ ডায়াবেটিসের জন্য দায়ী। এছাড়া আরও ২ ধরনের ডায়বেটিস আছে— প্রেগন্যান্সি ডায়বেটিস আর সেকেন্ডারি ডায়বেটিস, যা মূলত হরমোনের কারণে হয়।
ডায়বেটিসের উপসর্গ
তৃষ্ণা পাবে বেশি, বারবার ইউরিন যাওয়া, ক্লান্তিবোধ,ওজন কমে যাওয়া, কোথাও কেটে গেলে তাড়াতাড়ি শুকোতে না চাওয়া, চোখে দেখতে সমস্যা, বারবার ইনফেকশন হওয়া ইত্যাদি।
ডায়বেটিসের জটিলতা
মাত্রাছাড়া ব্লাড গ্লুকোজকে বলে হাইপারগ্লাইসেমিয়া। এতে আক্রান্ত হতে পারে হার্ট, স্কিন, কিডনি, দাঁত, চোখ ও পা। এছাড়া খুব সহজেই ইনফেকশন হয়ে joint pain হতে পারে।
চিকিত্সা
গ্লুকোজ মনিটর করা খুবই জরুরি। যেহেতু ইনসুলিনের অভাবে বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ফলে ডায়বেটিস হয়ে থাকে, তাই ইনসুলিনের প্রয়োজন হয়। ওষুধও খেতে দেওয়া হয়। আধুনিক চিকিত্সার বদৌলতে Diabetic longstop করা সহজ।
নিয়মিত গ্লুকোজ মনিটর পদ্ধতি
Tissue fluid-এ একটি Sensor রেখে ১৫ মিনিট অন্তর Blood Glucose monitor করা হয়। নিবির পর্যবেক্ষণ ( Intensive monitoring) এর ক্ষেত্রে এটি কার্যকর।
ইনসুলিন পাম্প
ভয়ানক হাইপারগ্লাইসেমিয়া এর ক্ষেত্রে এ যন্ত্রটি Catheters-এর মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্নভাবে Insulin supply দেয়। Blood glucose fluctuate ev DVv-bvgvi কারণে Insulin pump কাজ করে।
নিয়ন্ত্রণে রাখুন
কোলেস্টেরল, রক্তচাপ ও ওজন। স্থূলতার ক্ষত্রে ওজন কমানো জরুরি। সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ব্যায়াম করুন।
খাদ্যাভাস : Balanced diet ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে জরুরি। ৩টি major meal আর ৩টি snacks জরুরি। কমপ্লেক্ট কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার যুক্ত খাবার যেন Diet-এ থাকে। শাকসবজি ও ফল যত পরিমাণে খাবেন ততই ভালো। স্যাচুরেটেড চর্বি, ডিম, মাখন, এড়িয়ে চলুন— মিষ্টি, কেক, কুকিজ, চকলেট, প্রোটিন বেশি করে খান— আপেল, নাসপাতি, পেঁপে, চিনস, ব্রাউন রাইস, রুটি, মাছ আর স্কিনলেস চিকেন, কম মাত্রার দুধছানা, Herbals Pv খেতে পারেন।
সূত্র - দৈনিক আমাদের সময়
Comments