home top banner

Health Tip

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’
19 August,14
Tagged In:  yogurt fruit  importance of yogurt  
  Viewed#:   226

yogurt-fruitওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব খাবার বাদ দিয়ে শুধু দই ফল খাওয়ার অভ্যাস করলে খুব সহজেই কম সময়ে আপনার ওজন কমে যাবে অনেক খানি। টক দইয়ের সাথে নানান ফলের মিশ্রণে তৈরি এই খাবারটি একই সঙ্গে পুষ্টিকর ও সুস্বাদু।


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব তিনিসি এর গবেষক প্রফেসর মাইকেল এর মতে, আপনি প্রতিদিন আড়াইশ গ্রাম দই খেতে পারলে এক মাসের মধ্যে কোমরের মাপ এক ইঞ্চি কমিয়ে ফেলতে পারবেন। গবেষণায় আরো জানা গেছে যে যারা ডায়েট করে ওজন কমানোর চেষ্টা করেন করেন তাদের তুলনায় যারা নিয়মিত দই খান তাদের শরীরের ওজন ২২% কমে যায় এবং পেটের মেদ ৮১% কমে যায়। এই গবেষণার গবেষক মাইকেল জানান যে যাদের ওজন বেশি তাদের শরীরের ফ্যাট কোষ থেকে কর্টিসল নামের একটি হরমোন তৈরী হয়। এটি কোমর এবং পেটের চারপাশের মেদ বাড়িয়ে দেয়। দইয়ের অন্যতম উপাদান ক্যালসিয়াম কর্টিসল তৈরীতে বাঁধা দেয়। দইয়ের অ্যামিনো এসিড ফ্যাট কমিয়ে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।reduce-weight

নিয়মিত দই ফল খাওয়ার অভ্যাস করলে আপনার শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টিরও কোনো অভাব হবে না। কারণ নিয়মিত দই ফল খেলে ফলমূল থেকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও ফাইবার গ্রহণ করবে শরীর। এছাড়াও টক দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস, পটাসিয়াম, রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন বি৫, বি১২’সহ আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান আছে যা শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

প্রতিদিন একই ফল দিয়ে দইফল খেতে হবে এমন কোনো কথা নেই। যেই ঋতুতে যেই ফল পাওয়া যায় সেটা দিয়েই তৈরি করে ফেলতে পারেন দই ফল। মাত্র তিন চার রকমের ফল ঘরে থাকলেই আপনি দই ফল প্রস্তুত করতে পারেন। তবে কলা, আপেল, নাশপতি, কমলা, স্ট্রবেরি, আম, পেপে ইত্যাদি ফল দিয়ে দই ফল প্রস্তুত করলে খেতে সুস্বাদু হয়। জেনে নিন দই ফল প্রস্তুত করার সহজ প্রণালীটি।

উপকরণ:
টক দই ২৫০ গ্রাম
৪/৫ প্রকারের যে কোনো মৌসুমি ফল (ছোট করে কাটা)
কাজু/পেস্তা বাদাম ১/৪ কাপ

প্রস্তুত প্রণালি:
টক দই হালকা করে ফেটে নিন।
একটি পাত্রে কিছু কেটে রাখা ফল রাখুন। ফলের উপর ফেটানো দই ঢেলে দিন। এবার দইয়ের উপর আবার কেটে রাখা বাকি ফল গুলো দিয়ে দিন।
সব শেষে বাদাম ছিটিয়ে দিন।
ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন মজাদার দই ফল।

সূত্র: প্রিয় লাইফ

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান
Previous Health Tips: ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

জ্বর–ঠোসার যন্ত্রণা

জ্বর হলে বা দেহে কোনো সংক্রমণ হলে ঠোঁটের কোণে ছোট্ট ফুসকুড়ি ওঠে, কখনো ঠোঁটের কোণ ফেটে যায় ও লাল দেখায়। প্রচণ্ড ব্যথা করে ও অস্বস্তি হয়। চলতি কথায়, এ অবস্থাকে আমরা বলি জ্বর-ঠোসা। সমস্যাটা জটিল না হলেও বেশ পীড়াদায়ক। একে চিকিৎসকেরা ফিভার ব্লিস্টার বা কোল্ড সোর বলেন। সাধারণত... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')