মারা যাওয়া নবজাতকেরা হলো টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বড়রিয়া গ্রামের শাজাহান মিয়ার ছেলে আলামিন (৮ দিন), কালিহাতী উপজেলার বানিয়াফৈর গ্রামের রিপন মিয়ার ছেলে যার এখনো নাম রাখা হয়নি (৪ দিন), সদরের লিটন মিয়ার ছেলে এখনো নাম রাখা হয়নি (২০ দিন) এবং মোর্শেদার ছেলে এখনো নাম রাখা হয়নি (৮ দিন)।
মারা যাওয়া শিশুদের পরিবারের অভিযোগ, শিশুরা সবাই হাসপাতালের চিকিত্সক সাইফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে ছিল। সাইফুল ইসলাম গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে শিশুদের জন্য ব্যবস্থাপত্র লিখে যান। আজ শুক্রবার সকালে ওই ব্যবস্থাপত্র মোতাবেক এক শিশুকে এমিস্টর ১০০ মিলি. ইনজেকশন দেওয়া হয়। এর মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে শিশুটির মৃত্যু হয়। পরে দুপুরে আরও তিন শিশুকে একই ইনজেকশন দিলে তারাও মারা যায়। পরিবারের দাবি, মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশন দেওয়ার কারণেই শিশুদের মৃত্যু হয়েছে। এ ব্যাপারে চিকিত্সক সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ইনজেকশনের কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে কি না, তদন্ত করে জানা যাবে।
হাসপাতালের শিশু বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, ইনজেকশনের মেয়াদ ২০১৪ সাল পর্যন্ত থাকলেও সেটিতে কোনো প্রকার জীবাণু অথবা ভাইরাস ছিল কি না, নাকি ভুল চিকিত্সায় তাদের মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা সিভিল সার্জনের দায়িত্বে থাকা চিকিত্সক পুতুল রায়ের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু ওবায়দা খান চার শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাসপাতালের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
সূত্র - প্রথম আলো

