home top banner

খবর

সরকারি চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি
২৮ সেপ্টেম্বর, ১৩
Tagged In:  hospital news   Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   36

সরকারি চিকিৎসকেরা গ্রাম-মফস্বলে যেতে চান না—এটি একটি গুরুতর ও বহুল আলোচিত সমস্যা। কিন্তু দিনাজপুর তো গ্রাম নয়, একটি বড় জেলা শহর। ৯১৭ জন শিক্ষার্থীর একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ আছে সেখানে। শিক্ষকদের ৫৩টি পদ শূন্য আছে, কিন্তু যে ৯৮ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন, তাঁদের একটা বড় অংশ কর্মস্থলে প্রায়ই গরহাজির থাকে। গত মঙ্গলবার প্রথম আলোয় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের তথ্য থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, ছুটি না নিয়েই দিনের পর দিন শিক্ষকদের অনুপস্থিত থাকা দিনাজপুর মেডিকেল কলেজে নিয়মিত চর্চায় পরিণত হয়েছে।
অধ্যক্ষ হামিদুল হকের বাড়ি ও ব্যক্তিগত চেম্বার রংপুরে। তিনি কোনো সপ্তাহে দুই দিন, কোনো সপ্তাহে তিন দিন কলেজে আসেন। কোনো কোনো সপ্তাহের পুরোটাই অনুপস্থিত থাকেন। এমন অধ্যক্ষের পরিচালনায় একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ কীভাবে চলতে পারে? শিক্ষকদের অনেকে সারা মাসে কলেজে উপস্থিত হন মাত্র এক দিন; ছুটি নেওয়ার কোনো বালাই নেই। ছুটি না নিয়েই কলেজে দিনের পর দিন অনুপস্থিত থেকে যদি মাস গেলে বেতন-ভাতা তুলে নেওয়া যায়, কারও কাছে কোনো জবাবদিহি করতে না হয়, তাহলে ছুটির দরখাস্ত দেওয়ার বা অনুমতি নেওয়ার কোনো প্রশ্ন থাকে না। এই শিক্ষকদের কেউ থাকেন ঢাকায়, কেউ ময়মনসিংহে, কেউবা রাজশাহীতে। দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ তাঁদের সরকারি চাকরিস্থল; নিজ নিজ ব্যক্তিগত চেম্বারে তাঁরা নিজেদের নামের সাইনবোর্ডে সেই পরিচয় ব্যবহার করেন।
একজন শ্রমিক বা মজুর কাজ না করে মজুরি প্রত্যাশা করেন না। কিন্তু উচ্চশিক্ষিত এই শিক্ষক-চিকিৎসকেরা দিনের পর দিন কর্মস্থলে উপস্থিত না হয়ে বেতন-ভাতা তুলে নেন; কোনো নৈতিকতাবোধ তাঁদের পীড়িত করে না! তাঁদের অনুপস্থিতির কারণে শুধু যে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হয়, তা তো নয়; কলেজটির সঙ্গে যে হাসপাতাল রয়েছে, সেখানকার রোগীরাও একইভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়। এ রকম সমস্যা শুধু দিনাজপুর মেডিকেল কলেজেই সীমাবদ্ধ নয়, দেশের অন্য সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালগুলোতেও কমবেশি রয়েছে।
প্রজাতন্ত্রের প্রথম শ্রেণীর এই কর্মকর্তাদের চাকরির বিধানগুলো মেনে চলার বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করার কোনো প্রশাসনিক উদ্যোগ নেই। কিন্তু এই সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা ও চিকিৎসা কার্যক্রম তাঁদের মর্জিমাফিক চলতে দেওয়া যায় না। বিনা ছুটিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

সূত্র - প্রথম আলো

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: আবার হাঁটতে পারছেন ১০৭ জন
Previous Health News: ড্যাবের প্যানেল পরিচিতি সভা

আরও খবর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... আরও দেখুন

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... আরও দেখুন

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... আরও দেখুন

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... আরও দেখুন

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... আরও দেখুন

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')