নানা দুর্ঘটনায় পা হারিয়েছিলেন তাঁরা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সাভারে ধসে পড়া রানা প্লাজার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় কর্মরত কর্মীরাও। আবার হাঁটতে পারবেন, ফিরে যেতে পারবেন স্বাভাবিক জীবনে—এমন আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন তাঁরা। তাই আশাতীতভাবে আবার যখন পা ফিরে পেলেন, পেলেন নতুন করে হাঁটতে পারার নিশ্চয়তা, আনন্দে ভরে ওঠে তাঁদের মন; তাঁরা স্বপ্ন দেখছেন আগের মতো জীবনের।
দুর্ঘটনায় পা হারানো ১০৭ জনকে এমন আনন্দে ভাসিয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্র (পঙ্গু হাসপাতাল) এবং থাইল্যান্ডের প্রোসথেসিস ফাউন্ডেশন। আজ শনিবার ছিল অঙ্গ প্রতিস্থাপনের প্রথম পর্বের সমাপনী অনুষ্ঠান।
জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক খন্দকার আবদুল আউয়াল রিজভী বিভিন্ন দুর্ঘটনায় যাঁদের হাত-পা কেটে ফেলতে হয়েছে, তাঁদের ওই হাসপাতালে গিয়ে নাম নিবন্ধন করতে বলেন। তিনি জানান, আজ অঙ্গ প্রতিস্থাপনের প্রথম পর্ব শেষ হয়েছে। তবে এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। এতে সহযোগিতা করবে থাইল্যান্ডের প্রোসথেসিস ফাউন্ডেশন ও ভারতের জয়পুর ফুট।
খন্দকার আবদুল আউয়াল রিজভী জানান, নিয়মিতভাবে বিকল্প অঙ্গ প্রস্তুত ও প্রতিস্থাপনের ব্যাপারে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড সরকার একমত হয়েছে। দুই দেশের চিকিত্সকেরা পরস্পর অভিজ্ঞতা বিনিময় করে এই কার্যক্রম চালিয়ে নেবেন। এতে থাইল্যান্ডের চিকিত্সকেরা বাংলাদেশে আসবেন এবং বাংলাদেশের চিকিত্সকেরা থাইল্যান্ড যাবেন।
সূত্র - প্রথম আলো

