দেশের ৮৪ শতাংশ পরিবার বর্তমানে আয়োডিনযুক্ত ভোজ্য লবণ ব্যবহার করছে। একই সঙ্গে দেশে উত্পাদিত লবণের ৫৮ শতাংশে পরিমিত পরিমাণ আয়োডিন মেশানো হচ্ছে।
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প করপোরেশন (বিসিক) ও জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের (আইপিএইচএন) যৌথ উদ্যোগে আয়োডিনের ঘাটতি নিরসন-বিষয়ক এক কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। রাজধানীর মতিঝিলে বিসিকের সম্মেলনকক্ষে আজ বৃহস্পতিবার কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
আইপিএইচএনের পরিচালক মোহাম্মদ হেদায়েতুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিসিকের চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার প্রধান অতিথি এবং বিসিকের দুই পরিচালক পতিত পাবন বৈদ্য ও আবু তাহের খান বিশেষ অতিথি ছিলেন।
কর্মশালায় জানানো হয়, বিসিকের সিআইডিডি প্রকল্পের মাধ্যমে ২০১৬ সালের মধ্যে দেশের শতভাগ পরিবারকে আয়োডিনযুক্ত ভোজ্য লবণ ব্যবহারের আওতায় আনার লক্ষ্যে কাজ চলছে।
আরও জানানো হয়, আয়োডিনযুক্ত ভোজ্য লবণ উত্পাদন, বিপণন ও ব্যবহারকে আরও ফলপ্রসূ ও যুগোপযোগী করতে আয়োডিনের অভাবজনিত রোগ প্রতিরোধ আইন ১৯৮৯ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে একটি খসড়াও তৈরি করা হয়েছে।
সভায় আয়োডিনযুক্ত ভোজ্য লবণের ব্যবহার বাড়াতে লবণের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণের আহ্বান জানান বিসিকের চেয়ারম্যান।
সূত্র - প্রথম আলো

