কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় তরমুজ খেয়ে একই পরিবারের ২০ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদের কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে স্মৃতি খাতুন (৮) নামের এক শিশু মারা গেছে। উপজেলার কয়া ইউনিয়নের বেড় কালোয়া গ্রামের আসকার আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। স্মৃতি আসকার আলীর মেয়ে।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবুল হাসনাত বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, তরমুজটি কোনো রাসায়নিক কিছু দিয়ে পাকানো ছিল। এ কারণে বিষাক্ত হয়ে গেছে। অসুস্থ লোকজনকে হাসপাতালে আনতে দেরি হওয়ায় বিষক্রিয়ায় শিশুটি মারা গেছে। ভর্তি হওয়া চারজনের অবস্থাও ভালো না। এর মধ্যে আসকারের ছেলে অনিককে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।’
আসকার আলীর ভাষ্যমতে, গত শুক্রবার রাতে কুমারখালী রেলগেট বাজার থেকে একটি বড় তরমুজ কিনে বাড়ি যান। শনিবার সকাল নয়টার দিকে ওই তরমুজ কেটে স্ত্রী-ছেলেমেয়েসহ বাড়ির অন্য সদস্যদের খেতে দেন। বিকেলের দিকে কয়েকজনের পেট ও মাথাব্যথা শুরু হয়। রাতের দিকে তাঁদের বমি হতে থাকে।
সূত্র - প্রথম আলো

