কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮১ সালে। এরপর ৩৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো নিয়োগ দেওয়া হয়নি গাইনি চিকিৎসক। বছরের পর বছর পদটি শূন্যই থেকেছে। ফলে প্রসূতিসেবা পাচ্ছেন না মহিলারা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আট বছর আগে ৩১ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। এর পরও গাইনি চিকিৎসকের পদটি শূন্য রয়েছে। এ ছাড়া চিকিৎসকের ২৮টি পদের মধ্যে আছেন মাত্র পাঁচজন। ১৪ জন সেবিকার মধ্যে আছেন চারজন।
স্থানীয় লোকজন জানান, দ্বীপে বেসরকারিভাবেও প্রসূতিসেবা দেওয়ার মতো কোনো ক্লিনিক গড়ে ওঠেনি। ফলে প্রসূতিসেবা নিতে দ্বীপের মহিলাদের সমুদ্র পাড়ি দিয়ে কক্সবাজার শহরে যেতে হচ্ছে। আর দিনের বেলায় কোনো রকমে সাগর পাড়ি দিলেও সন্ধ্যার পর থেকে রোগীদের পার হতে নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মাহফুজুল হক বলেন, প্রতি মাসে ২৫ থেকে ৩০ জন জরুরি প্রসূতি রোগী হাসপাতালে সেবার জন্য আসেন। তাঁদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে রোগীর অবস্থা স্বাভাবিক থাকলে সেবিকার মাধ্যমে প্রসব করানো হয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুচিন্ত চৌধুরী বলেন, হাসপাতালে গুরুত্বপূর্ণ গাইনি চিকিৎসকের পদসহ ২৩টি চিকিৎসা কর্মকর্তার পদ শূন্য রয়েছে। বিশেষ করে গাইনি চিকিৎসক না থাকায় প্রসূতি রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
স্থানীয় সাংসদ আশেক উল্লাহ বলেন, প্রসূতিসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালে একজন গাইনি চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়ার ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
সূত্র - প্রথম আলো

