হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেঝেতে শুয়ে আছে একটি শিশু। পাশে রাখা একটি ব্যাগে তার কয়েকটি জামা। ফিডারে ভরা দুধ। কোথা থেকে, কীভাবে মেয়ে শিশুটি এল, জানে না কেউ।
শিশুটির বয়স আনুমানিক দুই বছর। পা দুটি অসাড়। হাঁটতে পারে না সে। প্রতিবন্ধী শিশুটিকে নিয়ে বিপদে পড়েছে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার সাখাওয়াত হোসেন জানান, বেলা পৌনে তিনটার দিকে ওই শিশুটিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেঝেতে দেখতে পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, মা-বাবা শিশুটির ভবিষ্যত্ নিয়ে শঙ্কিত হয়ে এ কাজ করেছেন।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (সুপার) ওমর ফারুক বলেন, ‘আমি বিকেলে শিশুটির কথা জানতে পারি। শিশুটি কথা বলতে পারে না। কথা বলতে পারলে ওর বাবা-মাকে খুঁজে বের করার জন্য চেষ্টা করা যেত। বিষয়টি আমি ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিজয় বসাককে জানিয়েছি।’
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিনুজ্জামান বলেন, ‘শিশুটির বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের অনুরোধ করেছে। কিন্তু কোতোয়ালি থানা তো এতিমখানা নয়। আমরা সরকারি শিশু সদন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।’
সূত্র - প্রথম আলো

