চিকিৎসা ব্যবস্থা একটি বিশাল বাণিজ্যে রূপ নিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসা নেওয়ার ক্ষমতা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) ও বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এই অভিমত ব্যক্ত করা হয়।
দেশে ভেজাল খাদ্য খাওয়ার কারণে মানুষের শরীরে অনেক ধরণের রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিচ্ছে। আর প্রতিকার হিসেবে নতুন নতুন হাসপাতাল নির্মাণসহ কেবল চিকিৎসা ব্যবস্থায় জোর দেওয়া হচ্ছে। এতে রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।
বিএমএ এর সাবেক সভাপতি ডা. রশিদ ই মাহবুব বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম শুধু চিকিৎসা সংক্রান্ত কার্যক্রমের সীমাবদ্ধ। জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রথমে শিক্ষা কারিকুলামে স্বাস্থ্য শিক্ষা সম্পৃক্ত করতে হবে। প্রতিটি স্কুলকে ছাত্রদের মেডিক্যাল রেকর্ড রাখতে বাধ্য করতে হবে। চিকিৎসা ব্যবস্থা একটি বিশাল বাণিজ্যে রূপ নিয়েছে।’
তিনি আরো বলেন কোনো হাসপাতালে প্রাইমারি সেকেন্ডারি এবং টারসারি চিকিৎসা প্রদান করা হয় তা সুস্পষ্টভাবে প্রর্দশন করার ব্যবস্থা করতে হবে। এ্যাম্বুলেন্সের অনুমোদনের পূর্বে ড্রাইভার আর সহযোগীদের ফার্স্ট এইড জ্ঞান রয়েছে তা নিশ্চিত করা।
ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, স্বাস্থ্যকে পণ্য নয়, মানবাধিকার হিসেবে গণ্য করতে হবে এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রতি মনোযোগী হতে হবে। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কি হবে এ বিষয়ে আমাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, বাইরের কোনো গোষ্ঠীর চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যাবে না।
গোল টেবিল বৈঠোকে আরো উপস্থিত ছিলেন বারডেমের ল্যাবরেটরি সার্ভিসের পরিচালক অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী, পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম. মুজাহেরুল হক, বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারপারসন এ কে এম মাকসুদ, পবা সম্পাদক সৈয়দ মাহবুবুল আলম, হেলথ এন্ড হোপের পরিচালক ডা. লেনিন চৌধুরী প্রমুখ।
সূত্র - risingbd.com
আসলেই আমাদের সচেতনতার অভাবের কারনেও কিছু অসাধু বণিক আমাদের এই যায়গাটার সুযোগ নিয়ে বানিজ্য করছে। দেশের সুশীল সমাজ এগিয়ে এলে অচিরেই এই সমসার সমাধান হবে আশা করি।


Comments