পানি-বায়ু-শব্দদূষণ, খাবার ও ওষুধে ভেজাল, সর্বোপরি পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি চরম হুমকির মধ্যে পড়েছে। প্রতিকার হিসেবে নতুন নতুন হাসপাতাল নির্মাণসহ কেবল চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
‘হুমকির মুখে জনগণের স্বাস্থ্য: রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা এবং রাজনীতি’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন বিশিষ্টজনেরা। তাঁরা আরও বলেন, দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা একটি বিশাল বাণিজ্যে রূপ নিয়েছে। চিকিৎসা চলে গেছে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। গতকাল শনিবার পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) ও বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এই আলোচনায় জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে চিকিৎসা সর্বস্বতা বাদ দিয়ে, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় জোর দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এই গোলটেবিলে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি রশিদ ই মাহবুব বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ শুধু চিকিৎসাসংক্রান্ত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ। জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের জন্য প্রথমে শিক্ষা কারিকুলামে স্বাস্থ্যশিক্ষাকে সম্পৃক্ত করতে হবে। প্রতিটি স্কুলকে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য রাখতে বাধ্য করার পরামর্শ দেন তিনি।
আলোচনায় বারডেমের ল্যাবরেটরি সার্ভিসের পরিচালক অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী বলেন, রোগ প্রতিরোধে আমি এখন হাঁটা ও তাজা শাকসবজি খাওয়ার পরামর্শ দিতে বিব্রত বোধ করি। কারণ হাঁটার ফুটপাত নেই এবং খাবারে ভেজাল। চিকিৎসা বলতে বোঝায় হাসপাতাল, ওষুধ, বড় বড় হাসপাতাল।
বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের (টিইউসি) সাধারণ সম্পাদক ওয়াজেদুল ইসলাম খান বলেন, শুধু অবকাঠামো করার মাধ্যমে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি করা যাবে না। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে স্বাস্থ্য অধিকারের বিষয়টি নিয়ে আসতে হবে। বিজ্ঞপ্তি।
সূত্র -প্রথম আলো

