বাজারে এখন শীতের সবজির তাজা ঘ্রাণ। হরেক রকমের সবজি এখন বাজার জুড়ে। এর মধ্যে ফুলকপি ছোট-বড় সবারই প্রিয়। এতে রয়েছে প্রচুর আঁশ, যা পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। আরও আছে অ্যান্টি-ক্যানসার বা ক্যানসার নিরোধক উপাদান।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ফুলকপি খেলে মূত্র থলির ক্যানসারের ঝুঁকি ৪০ শতাংশকমে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের রসওয়েল পার্ক ক্যানসার ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকেরা বলছেন,এর জন্য সপ্তাহে অন্তত তিনবার ফুলকপি খেতে হবে।
একই সাথে মলাশয় ক্যানসারের ঝুঁকিও প্রায় অর্ধেক কমে যায় ফুলকপি খেলে।চিকিৎসকরা বলছেন, এর জন্য সপ্তাহে প্রায় দুই পাউন্ড ফুলকপি এবং এ জাতীয় সবজি খেতে হবে।
এছাড়া ফুলকপিতে আছে সালফোফেন নামের যৌগ, যা অস্টিওআর্থ্রাইটিস কমাতে সাহায্য করে। গরুর দুধের চেয়েও প্রায় পাঁচ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম রয়েছে ফুলকপিতে। ২০০ গুণ বেশি আয়রন।
ফুলকপি বেশি সেদ্ধ বা রান্না করলে এর সালফার যৌগ নষ্ট হয়ে যায় এবং এসব গুণাগুণ অনেকটাই বিনষ্ট হয়। সম্পূর্ণ গুণাগুণ পেতে ফুলকপিকে সামান্য ভাপ দিয়ে বা স্টিম করে খেতে হবে।
তবে যাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে ফুলকপি খেতে একটু সাবধান হতে হবে। অনেকের ফুলকপি খেলে গ্যাস দেখা দেয়। সেক্ষেত্রে ফুলকপি খেতে পরিমিত ভাবে ঝোল করে খেতে হবে।
সূত্র - পরিবর্তন.কম

