home top banner

Health Tip

ক্যান্সার প্রতিরোধে ভিটামিন ই
28 September,13
Tagged In:  cancer prevent  
  Viewed#:   331

ক্যান্সার দমনে ভিটামিন ‘ই’-এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা পরস্পরবিরোধী ফল পেয়েছেন। কোনো কোনো পরীক্ষায় দেখা গেছে, ভিটামিন ‘ই’ সেবনকারীদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার হারের কোনো পরিবর্তন হয়নি। আবার অন্যান্য গবেষণায় এ হার হ্রাস পাওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। যেমন চীনে এক সমীক্ষায় ২৯ হাজারেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ককে ভিটামিন ‘ই’ বিটাক্যারোটিন ও সেলেনিয়াম একত্রে খাইয়ে দেখা গেছে, তাদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার কিংবা ক্যান্সারে মারা যাওয়ার হার লক্ষণীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে।

বিজ্ঞানীরা অনেক আগ থেকেই লক্ষ করে এসেছেন, শরীরে ভিটামিন ‘ই-এর মাত্রা কম থাকার সাথে ক্যান্সার দেখা দেয়ার ঝুঁকি বেশি হওয়ার এবং ভিটামিন ‘ই’ বেশি থাকার সাথে ক্যান্সারের ঝুঁকি কম হওয়ার একটা সম্পর্ক আছে। ফিনল্যান্ডে ৫০ থেকে ৬৭ বছর বয়সী ২৭ হাজার ধূমপায়ী পুরুষের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে ভিটামিন ‘ই’ খাওয়ানোর সুফল পাওয়া গেছে। এ ২৭ হাজার পুরুষকে দুই ভাগে ভাগ করে এক দলকে দৈনিক মাত্র ৫০ আইইউ করে ভিটামিন ‘ই’ খাওয়ানো হয় এবং অন্য গ্রুপকে খাওয়ানো হয় প্লাসিবো। যাদের ভিটামিন ‘ই’ খাওয়ানো হয়েছিল দেখা গেছে, অন্য গ্রুপের চেয়ে তাদের প্রোস্টেটের ক্যান্সার হয়েছে ৩২ শতাংশ কম। তার চেয়ে বড় কথা, এই গ্রুপে প্রোস্টেটের ক্যান্সারে মৃত্যুহার ছিল অন্য গ্রুপের চেয়ে ৪১ শতাংশ কম। কোলন, ফুসফুস ও স্তনের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে ভিটামিন ‘ই’ কতখানি কাজ দেয়, তা নিয়ে এখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

ভিটামিন ‘ই’ নার্ভের রোগ আলজিমার্স ডিজিজ নিরাময় করতে না পারলেও মন্থর করে দিতে পারে বলে গবেষণায় দেখা গেছে। তা ছাড়া দৈনন্দিন জীবনে এই ভিটামিনের আরো কত যে সুফল রয়েছে, তা হয়তো আমরা জানিই না। এক নতুন সমীক্ষায় দেখা যায়, রোদে গাত্রচর্ম পুড়ে পীতাভ বর্ণ ধারণ করলে ভিটামিন ‘ই’ খেলে তা দ্রুত মিলিয়ে যায়। ভিটামিন ‘ই’ জিনজিভাইটিস সারাতেও যথেষ্ট কার্যকর। ভিটামিন ‘ই’ কী পরিমাণে খাওয়া উচিত, গবেষকেরা বলেন, যারা দিনে ১০০ থেকে ৪০০ আইইউ ভিটামিন ‘ই’ গ্রহণ করে থাকে, তাদের কয়েক ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যথেষ্ট কমে যায়। তাই বলে এটি অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ করাও ঠিক নয়। কেননা তাতে শরীরে অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের ভারসাম্য বিনষ্ট হতে পারে। অর্থাৎ হিতে বিপরীত হতে পারে।


সূত্র - দৈনিক নয়া দিগন্ত

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন?
Previous Health Tips: ক্যান্সার : পরিহার করুন ৫টি বিষয়

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')