রাজধানীতে আজ এক সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা যে কোন ধরনের রাসায়নিক দুষণ এড়াতে কাটার আগে তরমুজকে ভালভাবে ধুয়ে নেওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
সম্প্রতি দেশের কয়েকটি এলাকায় রাসায়নিক দুষণকৃত তরমুজ খেয়ে একটি শিশুর মৃত্যু ও ৪৬ জন অসুস্থ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষজ্ঞরা এই পরামর্শ দেন। দুষিত তরমুজ খেয়ে গত ২০ এপ্রিল কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কালুয়া গ্রামে একটি শিশু মারা যায় এবং ২৬ জন অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ ছাড়া গত ২২ এপ্রিল মানিকগঞ্জেও দুষিত তরমুজ খেয়ে পাঁচ শিশুসহ ৯ জন অসুস্থ হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তবে সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান রাসায়নিক মিশ্রণের ধারণা বাতিল করে দিয়ে বলেন, 'আমাদের হাতে আসা সব রিপোর্ট পর্যালোচনার পর আমরা দৃঢ় আস্থার সংগে বলছি তরমুজে রাসায়নিক মিশ্রণ ছিল না। এতে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হয়েছিল।
রাজধানীর মহাখালীতে আজ সংস্থার মিলনায়তনে এক ওরিয়েন্টেশন সেমিনারে এ সংক্রান্ত রিপোর্ট প্রকাশ করে আইইডিসিআর।
মাহমুদুর রহমান বলেন, কুষ্ঠিয়ার ঘটনায় তরমুজ ছিল পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত। তাই এতে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা গবেষণাগার একই বিক্রেতার কাছ থেকে কেনা অন্যান্য তরমুজে ফরমালিন এবং কৃত্রিম রং মিশ্রণের কোনো আলামত পায়নি।
তরমুজ যদি পচা থাকে তাতে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমিত হতে পারে এবং এটি ফাটা থাকলে রাসায়নিক ও দুষণ প্রবেশ করতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা কাটার আগে তরমুজকে বেশ কয়েকবার ভালো করে ধুয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। -
সূত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ

