হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের প্রবেশ সীমিত করা, বেতন বৃদ্ধি, নতুন হোস্টেল নির্মাণ, দুর্ব্যবহার বন্ধসহ ছয়টি দাবি রয়েছে তাঁদের।
কর্মরত শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, রোগীর সঙ্গে আসা আত্মীয়স্বজনের প্রবেশের বিষয়ে কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই হাসপাতালের। প্রায়ই রোগীর সঙ্গে থাকা স্বজনদের দুর্ব্যবহারের শিকার হচ্ছেন তাঁরা। এমনকি শিক্ষানবিশ চিকিৎসককে মারধরের নজিরও আছে। এ অবস্থায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা। প্রশাসনকে জানিয়েও প্রতিকার পাওয়া যায়নি। রোগী ও তাঁদের স্বজনদের সামনে হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকেরাও প্রতিনিয়ত তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছেন। এ ছাড়া শিক্ষানবিশ পুরুষ চিকিৎসকদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে অতি জরাজীর্ণ হোস্টেলটিতে থাকতে হচ্ছে বলেও তাঁরা অভিযোগ করেন।
শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের সংগঠন ‘ইন্টার্ন ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন’-এর আহ্বায়ক রাশেদুর রেজা জানিয়েছেন, ‘কর্মবিরতির বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আগামীকাল (আজ রোববার) সকালে মিটিং ডেকেছে। আমাদের দাবি মেনে নেওয়া হলে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করব। আর নয়তো অনির্দিষ্টকালের জন্য এ কর্মসূচি চলবে।’
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খোন্দকার শহিদুল গণি বলেন, ‘শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের দাবিগুলোর বেশির ভাগেরই যৌক্তিকতা আছে। আলোচনার মাধ্যমে এটি সমাধান করা যাবে বলে আশা করছি।’
সূত্র - প্রথম আলো

