home top banner

News

নিষিদ্ধ ওষুধের আমদানি বেড়েছে
26 February,14
Tagged In:  medicine adulteration   Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   24

দেশে সাম্প্রতিক সময়ে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি নিষিদ্ধ ওষুধ ও চিকিৎসা যন্ত্রপাতির আমদানি বেড়েছে। বড় মাপের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এ কাজে জড়িত। গত অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর- এ তিন মাসে মিথ্যা ঘোষণায় আনা আটককৃত ওষুধের মধ্যে ৩১ ধরনের নিষিদ্ধ ওষুধ ছিল। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহেই আটবার বড় ধরনের চালান ধরা পড়ে। এ বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে নজরদারি বাড়াতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) চিঠি পাঠিয়েছে ওষুধ প্রসাশন অধিদপ্তর।

চিঠিতে বলা হয়েছে, 'বাংলাদেশের বিভিন্ন এয়ারপোর্ট এবং অন্যান্য পোর্ট অব এন্ট্রি দিয়ে আমদানি নিষিদ্ধ ওষুধ ও মেডিক্যাল ডিভাইস মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে দেশে প্রবেশ করছে, যা জনস্বাস্থ্য ও দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।'

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, গত অক্টোবর-ডিসেম্বরে মিসর ও তুরস্ক থেকে নিষিদ্ধ ওষুধ আমদানি হয়েছে সবচেয়ে বেশি। এসব নিষিদ্ধ ওষুধের বেশির ভাগ চালান খাদ্যপণ্য হিসেবে ঘোষণা দেওয়া ছিল। গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে এবং শুল্ক কর্মকর্তাদের সন্দেহ হওয়ায় এসব চালান ধরা পড়ে। ওই তিন মাসে ৬২টি চালানে আমদানি নিষিদ্ধ ওষুধ আটক করা হয়। এসব ওষুধের মূল্য ৪১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। এ ছাড়া আমদানি নিষিদ্ধ নয়- এমন ওষুধও জব্দ করা হয়েছে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আনায়।

শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ থেকে জানা যায়, গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে গত ২৩ অক্টোবর ওষুধ প্রসাশন ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে ফুড সাপ্লিমেন্ট ঘোষণায় মিসর থেকে আনা ২৭ লাখ টাকা মূল্যের তিন ধরনের ওষুধ এবং তুরস্ক থেকে ডিএইচএল কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আনা ২৮ ধরনের অবৈধ ও নিষিদ্ধ ওষুধ জব্দ করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, মিথ্যা ঘোষণায় নিষিদ্ধ এবং নিষিদ্ধ নয়- এমন উভয় ধরনের ওষুধ আনা হচ্ছে। আবার লাইন্সেসিং অথরিটির (ড্রাগস) অনুমোদন ছাড়াই বিপুল পরিমাণে ইনফিউশন সেট, ডিসপোজেবল সিরিঞ্জসহ মেডিক্যাল ডিভাইস ছাড় করানো হচ্ছে। মিথ্যা ঘোষণায় আনা বড় মাপের মাল আটকের ঘটনা অক্টোবরের শেষ সপ্তাহেই ঘটে আটবার। এ আমদানির সঙ্গে দেশের অনেক বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান জড়িত। ধারণা করা হচ্ছে, মিথ্যা ঘোষণায় আরো ওষুধ আসছে, যা নজরদারির বাইরে থেকে যাচ্ছে।

এনবিআর চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, নিষিদ্ধ ওষুধ আমদানির বিষয়ে এনবিআর কঠোর নজরদারি করছে। আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে থেকে মিথ্যা ঘোষণায় কেউ যাতে কোনো ধরনের পণ্য আমদানি করতে না পারে, সে বিষয়ে সর্তকতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এনবিআর পুরোপুরি অটোমেশনে গেলে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আনা বন্ধ করা সম্ভব হবে।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তা ও দেশীয় ওষুধ শিল্পের গুরুত্ব বিবেচনা করে বিভিন্ন সংস্থার বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে গঠিত 'স্ট্যান্ডিং কমিটি ফর ইম্পোর্ট' ওষুধ আমদানির অনুমতিপত্র (ইনডেন্ট) অনুমোদন করে। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা আমদানীকৃত ওষুধের ছাড়পত্র প্রদান করে থাকে। এতে জনস্বাস্থ্যের জন্য বা দেশীয় ওষুধ শিল্পের জন্য ক্ষতিকর কোনো ওষুধ আমদানির সুযোগ থাকে না। তাই নিষিদ্ধ ওষুধ আনতে ব্যবসায়ীরা মিথ্যা ঘোষণায় আশ্রয় নিচ্ছে। আবার রাজস্ব ফাঁকি দিতেও মিথ্যা ঘোষণায় ওষুধ আমদানি করছে।

আমদানি নিষিদ্ধ ওষুধ আমদানি রোধে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন মল্লিক এনবিআরে পাঠানো চিঠিতে সুপারিশ জানিয়ে লেখেন, বিশেষভাবে দেশের প্রধান বিমানবন্দর ও অন্যান্য পোর্ট অব এন্ট্রিদিয়ে ওষুধ, মেডিক্যাল ডিভাইস, ওষুধ উপাদানযুক্ত ফুড সাপ্লিমেন্ট, জন্ম নিরোধক ওষুধ, জন্ম নিরোধক মেডিক্যাল ডিভাইস সামগ্রী, ভ্যাকসিন ও বায়োলজিক্যাল প্রডাক্ট ছাড়করণের পূর্বে এ অধিদপ্তরের মতামত গ্রহণ, প্রয়োজনবোধে এ অধিদপ্তরের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে ছাড়করণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ছাড়া ওষুধ হিসেবে সন্দেহমূলক পণ্য জব্দ করার ক্ষেত্রেও ওষুধ প্রশাসন সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।'

সূত্র - কালের কণ্ঠ

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: গুঁড়ো দুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে
Previous Health News: ত্রিমাত্রিক হৃদপিণ্ডে শিশুর জীবনরক্ষা!

More in News

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... See details

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... See details

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... See details

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... See details

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... See details

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')