home top banner

Health Tip

শীতে শিশুর শ্বাসকষ্ট
01 December,13
Tagged In:  Child Health  winter baby care  baby respiratory  
  Viewed#:   175

baby-respiratoryশীত এসে গেছে। তবে এখনও জেঁকে বসেনি। অসুখ-বিসুখ এরই মধ্যে জেঁকে বসতে শুরু করেছে। বিশেষ করে শিশুদের। শীতে শিশুদের সর্দি, কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট সহ দেখা দেয় নানা অসুখ। এর মধ্যে শীতে শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় শিশুরা একটু বেশিই কষ্ট পায়। তবে বাবা-মায়ের একটু সতর্কতা আর যতেœ এ সময় আদরের সোনমণি থাকতে পারবে অনেকটাই সুস্থ। এ সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহবুব মোতানাব্বি বলেন, শীতে শিশুর যেমন শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় তেমনি অ্যাজমা বা হাঁপানি থাকলে শ্বাসকষ্ট বৃদ্ধিও পায়।

এর প্রধান কারণ ভাইরাস হলেও শীতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেসব এনজাইম রয়েছে তা স্বাভাবিকের চেয়ে কম তাপমাত্রায় কম কার্যকর হয়ে পড়ে। ফলে শীতে শিশুদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। শীতে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে আর্দ্রতাও কমে যায়। যা শ্বাসনালির স্বাভাবিক কার্যকে বিঘিœত করে ভাইরাসের আক্রমণকে সহজ করে দেয়। ফলে এ সময় শিশুর শ্বাসকষ্ট বৃদ্ধি পায়। এর সঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ধুলাবালি বৃদ্ধি, কুয়াশাসহ নানা কারণে শীতে শিশুর শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।

বড়দের শ্বাসকষ্ট হলে তা সহজেই তারা বোঝাতে পারে। কিন্তু শিশুর ক্ষেত্রে অভিভাবকেই বিষয়টি খোয়ার রাখতে হয়।তাই আপনার শিশুর শ্বাসকষ্ট হচ্ছে কিনা তা বোঝার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখা উচিত।

* প্রতিবার শ্বাস নেয়ার সময় বুকের চামড়া পাঁজরের হাড়ের ভেতর ঢুকে যায় কিনা।
*নিঃশ্বাস নেয়ার সময় নাকের দু’পাশ ফুলে ওঠে কিনা।
* শ্বাসের সময় বাঁশির মতো শব্দ হয় কিনা।
* শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হয়। যেমন- দুই মাসের কম বয়সী শিশু প্রতি মিনিটে ৬০ বা তার বেশি বার শ্বাস নেয়। দুই থেকে ছয় মাস বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে শ্বাস-প্রশ্বাসের হার প্রতি মিনিটে ৫০ বা তার বেশি হয়। এক বছরের বেশি বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে ৪০ বা তার বেশি বার হয়।
একটু সতর্ক হলেই শিশুকে শ্বাসকষ্ট সমস্যা থেকে দূরে রাখা সম্ভব হয়। অবশ্য তার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।
* শিশুর যেন ঠাণ্ডা না লাগে এবং শীতকালে শিশুকে সব সময় গরম কাপড় পরিয়ে রাখতে হবে।
*অপরিষ্কার থাকলে ফুসফুসের সংক্রমণ বেশি হয়। তাই শিশুকে সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং ধুলাবালি থেকে দূরে রাখতে হবে।
* একই পাত্রে ভাগাভাগি করে শিশুর খাবার এবং একই গ্লাসে পানি পান করার অভ্যাস এড়িয়ে চলতে হবে।
* বাইরে বের হলে শিশুকে মাস্ক ব্যবহারে অভ্যস্ত করতে হবে।
* শীতে হালকা কুসুম গরম পানি খাওয়াতে হবে এবং গোসলেও হাল্কা গরম পানি ব্যবহার করতে হবে।
* শিশুকে আমিষ জাতীয় খাবার বেশি দিতে হবে। টাটকা শাকসবজি ও ফলমূল বিশেষ করেপালং শাক, গাজর, লেবু, আনারস, জাম্বুরা, মাল্টা, কমলা এবং বেশি বেশি পানিখাওয়াতে হবে। এগুলো শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ছয় মাসের কমবয়সী শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করা যাবে না।

সূত্র - যুগান্তর কম

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: মুখের ঘা হলে করণীয়
Previous Health Tips: শীতে ত্বক ও চুল পরিচর্যা

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')