home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

শিশুর বাড়তি ওজন নিয়ে চিন্তিত?
১৫ মে, ১৪
Tagged In:  Baby Care  Child Health  
  Viewed#:   107

over-weight-babiesশিশুদের একটু মোটাসোটা বা নাদুস-নুদুস হলেই ভালো দেখায়—এই ধারণাটা সব সময় ঠিক নয়। শিশুদেরও বেশি মুটিয়ে গেলে দেখা দেয় নানা সমস্যা। 

গবেষণায় দেখা যায়, ওজনাধিক্য শিশুরা বয়স বাড়লে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও হূদেরাগের ঝুঁকিতে পড়ে। মোটা শিশুদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। ঘুমের মধ্যে শ্বাসকষ্ট হয়। মনোযোগে ঘাটতি হয়, স্কুলে দক্ষতা কমে যায়।

কীভাবে বুঝবেন 
বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী শিশুদের আদর্শ ওজন কত হওয়া উচিত তার একটি সারণি রয়েছে। যদি আপনার শিশুকে অন্যান্য স্বাভাবিক শিশুর তুলনায় একটু বেশি স্বাস্থ্যবান মনে হয়, তবে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে এই সারণি মিলিয়ে দেখতে পারেন। সারণি বা তালিকা মিলিয়ে চিকিৎসক বলতে পারবেন শিশু আসলে অতিরিক্ত ওজন সমস্যায় ভুগছে কি না। 

কেন babies-weight
দু-একটা দুর্লভ রোগ ছাড়া বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই শিশুদের অতিরিক্ত ওজনের জন্য অনিয়ন্ত্রিত মন্দ খাদ্যাভ্যাস ও কায়িক শ্রমের অভাবই দায়ী। দিনের পর দিন উচ্চ ক্যালরি ও চর্বিসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করার কারণে দেহে চর্বি কোষের পরিমাণ ও আয়তন বেড়ে যায়। অন্যদিকে, কোনো খেলাধুলা বা পরিশ্রম না করায় সেই চর্বি ভাঙারও সুযোগ পায় না। ফলে শিশু মোটা হতে থাকে। এ ছাড়া হরমোন, জিনগত, স্নায়ুরোগ, মানসিক রোগ বা ওষুধের প্রতিক্রিয়ায়ও অস্বাভাবিক ওজন বাড়াতে পারে। 

করণীয়
বিশদভাবে শিশুর দৈনিক খাদ্যাভ্যাস, পরিবারের খাদ্যাভ্যাস, বুদ্ধিমত্তা ও মানসিক অবস্থা, কায়িক শ্রমের হিসাব (মাঠে খেলাধুলা, কম্পিউটার গেম বা টিভি দেখা ইত্যাদি), অতি ওজনের প্রতি পরিবার ও শিশুর দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদি জানা উচিত। কোনো বিশেষ রোগের প্রতি সন্দেহ থাকলে হরমোন বা অন্যান্য পরীক্ষা করা যেতে পারে। রক্তে শর্করা ও চর্বি পরীক্ষাও করা হয়। 
অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি যাতে না হয় সেদিকে অভিভাবকদের যে বিষয়গুলো দেখতে হবে:

 উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার যেমন ফাস্টফুড ও ভাজা ফ্রাই খাবার, কেক পেস্ট্রি, চকলেট এবং ক্যালরিযুক্ত পানীয় দিনের পর দিন না খাওয়া
 দৈনিক খাদ্য তালিকায় ও টিফিনেও বাড়িতে তৈরি স্বাস্থ্যকর খাদ্য, বেশি করে শাকসবজি ও ফলমূল জাতীয় খাবার রাখা
 কায়িক শ্রম ও খেলাধুলায় উৎসাহী করা, যেমন মাঠে ফুটবল ক্রিকেট খেলা, সাইকেল চালনা, সাঁতার ইত্যাদি
 দীর্ঘ সময় বসে করতে হয় এমন কাজ যেমন টিভি দেখা বা কম্পিউটার খেলায় নিয়ন্ত্রণ, টিভি দেখে খাওয়া-দাওয়া এড়ানো ইত্যাদি। 

সূত্র - প্রথম আলো

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: ‘পেঁপেই ফলের রাজা’
Previous Health Tips: অকাল বার্ধক্যের প্রতিকার

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')