home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

শিশুদের যত্ন
১৬ সেপ্টেম্বর, ১৩
Tagged In:  Baby Care  
  Viewed#:   214

গরমে শিশুরা খুব সহজেই বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হয়। তাই এই গরমে শিশুদের স্বাস্থ্যের প্রতি বাবা-মায়ের বিশেষ নজর দেয়া প্রয়োজন। যেমন শিশুদের গায়ের জামা পাতলা সুতি কাপড়ের ও ঢিলেঢালা হওয়া প্রয়োজন। শিশুদের প্রতিদিন গোসল করতে হবে; গোসল ছাড়াও শিশুর সারা শরীর হালকা গরম পানিতে তোয়ালে বা গামছা ভিজিয়ে মুছিয়ে দিতে হবে। এতে তারা স্বস্তি পাবে। গরমে ঘেমে গেলে ভেজা কাপড় বদলে নিতে হবে, না হলে ঠা-া কাশির সমস্যা লেগে থাকবে। ঘরের জানালা খোলা রাখতে হবে এবং ফ্যান চালাতে হবে। এয়ারকুলার চালালে কোনো সমস্যা নেই। ঘামাচির জন্য শিশুকে পরিষ্কার রাখতে হবে। অর্থাৎ গোসলের সময় সাবান দিয়ে আলতো করে সারা শরীর ঘসে পরিষ্কার করতে হবে।

গরমে শিশু ঠান্ডা  পানি খেতে চাইবে; ঠান্ডা পানি না দেয়াই শ্রেয়। যদি ঠান্ডা পানি একান্তই দিতে হয় সেক্ষেত্রে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানির সঙ্গে মিশিয়ে দিলে ভালো। তবে ঠান্ডা -কাশি যেন না লাগে সেদিকে বাবা-মায়ের সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। গরমে প্রচুর পানি ও তরল খাবার, যেমন ঘরে বানানো শরবত (তরমুজ, লেবুর শরবত ইত্যাদি) খাওয়াতে হবে। অত্যধিক ঘামে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, তাই বাচ্চা দিনে অন্তত ৫-৬ বার প্রস্রাব করছে কিনা, সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

গরমে প্যাম্পার না পরানোই স্বাস্থ্যসম্মত। তবে যারা শিশুকে প্যাম্পার পরান, এটি পরালে তা বারবার পাল্টে দিতে হবে। তা না হলে প্রস্রাবের রাস্তার চারপাশে ও উরুর জায়গাগুলোতে ঘাম জমে ঘা হয়ে যেতে পারে। অনেক সময় গরমে ধুলাবালিতে শিশুদের এলার্জি ধুলবালি কম লাগে সে ব্যাপারে বাবা-মায়ের খেয়াল রাখতে হবে। যদি ধুলাবালি লাগে সেক্ষেত্রে বাচ্চার সারা শরীর পরিষ্কার পানিতে গামছা ভিজিয়ে মুছে দিলে ভালো।

বেশি গরমে বড়দের মতো শিশুরাও খেতে চায় না, তাই ওদের জোর করে খাওয়ানো ঠিক নয়। এতে বমি, বদ হজম ইত্যাদি হতে পারে। প্রচণ্ড গরমে শিশুরা রাস্তাঘাটে বিক্রি হওয়া শরবত বা আইসক্রিম, শসা, পেঁপে, ফলের রস ইত্যাদি খেতে যাতে না পারে সেদিকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে। তা না হলে ডায়রিয়া, বমি ও অন্যান্য পেটের পীড়ায় শিশু আক্রান্ত হতে পারে। গরমে শীতল হওয়ার জন্য শিশুরা পানির বিভিন্ন উৎস যেমন প্রকুর, ডোবা বা অন্য কোনো পানির আধারের দিকে ঝুঁকতে পারে। শিশু পুকুর বা ডোবায় গোসল করলে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে যেন পুকুর বা ডোবার অপরিষ্কার পানি খেয়ে অসুস্থ না হয়। 

সূত্র - যায়যায়দিন

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: মুখ শুকিয়ে কাঠ আর নয়
Previous Health Tips: রূপচর্চায় অ্যান্টি অক্সিডেন্ট

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')