দেখতে দেখতে চলে এল ঈদুল আজহা। পশু কোরবানি দেওয়া, রান্নাঘরের নানা আয়োজনতো চলছেই। কিন্তু নিজের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়গুলো কি ভেবেছেন? কারও কারওপ্রস্তুতি হয়তো আছে। আবার অনেকেরই এ প্রস্তুতি নেই।
কথা বলেছিলাম গ্রিনলাইফ হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ আ ফ ম হেলাল উদ্দিনের সঙ্গে। তিনিবললেন, পশু কোরবানির সময় খেয়াল রাখতে হবে, পশুর রক্ত যেন শরীরে লেগে নাযায়। পশুর রক্তে অনেক রোগজীবাণু থাকতে পারে। তাই একটু সতর্ক থাকতে হবে। আরনিজের শরীরে কোনো ক্ষত কিংবা কাটাছেঁড়া থাকলে মাংস কাটার কাজটা না করাইভালো। কারণ, ক্ষতস্থানের মাধ্যমে সহজেই পশুর জীবাণু মানুষের শরীরে সংক্রমিতহতে পারে।
এখন যাঁরা পশুর হাটে যাচ্ছেন, তাঁরা অবশ্যই বাড়ি ফিরে হালকাগরম পানিতে গোসল করে নেবেন। হাত-পা ভালোমতো ধুয়ে নেবেন জীবাণুনাশক সাবানদিয়ে।
কোরবানির দিনে কম-বেশি সারা দিনই মাংস ঘাঁটতে হয়। তাই মাংস কাটারসময় কিংবা ভাগ-বাঁটোয়ারায় ব্যবহার করুন গ্লাভস। নিজের স্বাস্থ্য সুরক্ষাওযেমন হবে, তেমনি পরিচ্ছন্নও থাকবে মাংস।
আ ফ ম হেলাল উদ্দিন আরও বললেন, গ্লাভস পরে কাজ করার পরও কিন্তু ভালো করে হাত ধুতে হবে। এ জন্য সাবান ব্যবহার করতে হবে অবশ্যই।
চাইলেসার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। রক্ত ছিটে মুখে যাওয়ার ভয় থাকবেনা। আবার নাক-মুখ থেকে শরীরের ভেতরে জীবাণু প্রবেশের আশঙ্কাও কমে যাবে।কোরবানি শেষে কুসুম গরম পানি গোসলের জন্য ব্যবহার করা ভালো। তা শরীরেরক্লান্তির সঙ্গে জীবাণু দূর করতেও সাহায্য করবে।
মাংস কাটাকাটি শেষেতুলে রাখার দায়িত্ব যাঁদের, তাঁদেরও সতর্ক থাকতে হবে। মাংস ধরার আগে পরেনিতে হবে গ্লাভস আর অ্যাপ্রন। যে বঁটি, দা কিংবা ছুরি রান্নাঘরে মাংস কাটারকাজে ব্যবহার হয়, সেগুলোর কাজ শেষে সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। না ধুয়েরাখলে তেল, চর্বি শুকিয়ে দা, বঁটিগুলো পিচ্ছিল হয়ে যায়। দ্বিতীয়বারব্যবহারে মাংস কাটতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে যেকোনো সময়।
সূত্র - প্রথম আলো

