
বেশিবেশি কীটনাশকমুক্ত ও কৃত্রিম রঙ বিবর্জিত ফলমূল ও শাকসবজি খেতে হবে। কারণএগুলোয় প্রচুর পরিমাণে ক্যান্সার প্রতিরোধক এনজাই থাকে।
* ধূমপান, মদ্যপান, সাদাপাতা, জর্দাগুলোসহ যাবতীয় ক্ষতিকর খাদ্য বর্জন করতেহবে।
* ক্ষতিকর কৃত্রিম রঙ যেমন_ চুলের কলপ, লিপস্টিক ও বিভিন্ন ক্ষতিরমেকআপ, পারফিউম, মশানাশক স্প্রে পরিহার করতে হবে।
* অতি অল্প বয়সে বিয়ে ওসন্তান ধারণ ৩০ বছরের ঊধর্ে্ব বিয়ে ও প্রথম সন্তান ধারণ পরিহার করা উচিত।
*একাধারে দীর্ঘদিন জন্মনিরোধক বড়ি বা ইনজেকশন পরিহার করতে হবে।
* ৩৫ ঊর্ধ্বমহিলাদের ব্রেস্ট নিজেই পরীক্ষা করতে হবে ও সতর্কতা অবলম্বন জরুরি।
*পুরুষদের ক্ষেত্রে মুসলমানি করা উপকারী যা লিঙ্গক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
*পুরুষ ও মহিলা উভয়ের বহুগামিতা পরিহার করতে হবে।
* কৃত্রিম সারযুক্ত খাবার ওদীর্ঘদিন পলিথিনে মোড়ানো খাবার পরিত্যাগ করুন।
* বিশেষ প্রয়োজন ছাড়াএক্স-রে করাবেন না।
* বংশগত ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে অতিরিক্ত সতর্কতাঅবলম্বন করুন।
* হরমোন থেরাপি গ্রহণের পূর্বে উপযুক্ত ডাক্তারের পরামর্শগ্রহণ করুন।
* ছোট-বড় যে কোনো শারীরিক ও মানসিক রোগের চিকিৎসায় দ্রুতচিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
* পরিমিত সুষম খাদ্য, পরিমিত শরীরচর্চা ও ধর্মীয়অনুশাসন মেনে চলুন।
* শিশুকে কমপক্ষে দু্ই বছর বুকের দুধপান করান।
চৎবাবহঃরড়হ রং নবঃঃবৎ ঃযধহ ঈঁৎব অর্থাৎ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই শ্রেয়।মনে রাখবেন ক্যান্সার এখন আর প্রতিরোধ্য নয়। প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে এবংউপযুক্ত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে সম্পূর্ণ নিরাময় করা সম্ভব। আসুনসবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ মরণঘাতী রোগ প্রতিরোধ করে সুস্থ সবল জাতি গঠনকরি।
সূত্র - যায়যায়দিন

