অ্যালার্জি ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি সুবিধা
07 January,14
Viewed#: 167
অ্যাজমা বা হাঁপানির চিকিৎসা:
অ্যালার্জেন পরিহার : অ্যাজমা বা হাঁপানির হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচেয়ে সহজ পন্থা হলো, যে অ্যালার্জি থেকে শ্বাসকষ্ট হয় তা যতদূর সম্ভব এড়িয়ে চলা। তাই অ্যাজমা রোগীদের প্রথমেই অ্যালার্জি টেস্ট করে জানা দরকার কোন ধরনের অ্যালার্জি দিয়ে শ্বাসকষ্ট হয়।
ওষুধ প্রয়োগ : নানা ধরনের অ্যাজমার ওষুধ বাজারে আছে। ডাক্তার দেখিয়ে প্রয়োজন মতো ওষুধ ব্যবহার করে রোগী সুস্থ থাকতে পারেন।
অ্যালার্জি ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি : অ্যালার্জি দ্রব্যাদি এড়িয়ে চলা ও ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিন ও অ্যাজমা রোগীদের সুস্থ থাকার অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি। অ্যালার্জি ভ্যাকসিনের মূল উদ্দেশ্য হলো যে অ্যালারজেন দ্বারা অ্যাজমা বা হাঁপানির সমস্যা হচ্ছে সেই অ্যালারজেন স্বল্প মাত্রায় প্রয়োগ করা হয়, যা পরবর্তী সময়ে ওই অ্যালারজেন দ্বারা রোগী শ্বাসকষ্টে বা অ্যাজমাতে যেন আক্রান্ত না হয়।
বিশ্বের অধিকাংশ দেশে, বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোতে এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে। যদিও প্রায় ৮০ বছর ধরে ভ্যাকসিন বিভিন্ন দেশে প্রচলিত এবং এক এক দেশে এক একভাবে প্রয়োগ করা হয়।
কিভাবে কাজ করে :
১. রক্তের আইজিই (যা অ্যালার্জির জন্য মূলত দায়ী) তাকে ধীরে ধীরে কমিয়ে দেয়।
২. রক্তে আইজিজি এর মাত্রা বাড়িয়ে দেয় যা অ্যালার্জি প্রতিরোধ করে।
৩. মাস্ট সেল যা হিস্টামিন নিঃসরণ কমিয়ে দেয়।
অ্যালার্জি ভ্যাকসিন চিকিৎসার সুবিধা:
১. ইমুনোথেরাপি ব্যবহারে দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহকে কমানোর চেয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ হওয়ার পথকে বাধার সৃষ্টি করে।
২. অ্যালার্জি জনিত রোগ থেকে জটিল রোগ হওয়ার পথকে বাধা দেয় অর্থাৎ যে সব রোগী অ্যালার্জি জনিত সর্দিতে ভোগেন, তাদের যাতে অ্যাজমা না হয়, সেই পথকে বন্ধ করে।
৩. প্রাথমিক অবস্থায় রোগের অতিসংবেদনশীলতা কম থাকায় ইমুনোথেরাপি পাশর্্ব প্রতিক্রিয়াও কম থাকে।
একটা কথা মনে রাখতে হবে, যে চিকিৎসাই নেন না কেন বিশেষজ্ঞের পরামর্শক্রমে নিতে হবে।