home top banner

Health Tip

অ্যালার্জি যখন শিশুদের
30 November,13
Tagged In:  asthma winter care  cold allergy  
  Viewed#:   138

asthma-and-allergyশিশুদের অ্যাজমা এবং অ্যালার্জি শনাক্ত করতে হলে ডাক্তার এবং শিশুর অভিভাবকদের পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞের কাছে রোগের ইতিহাস বলার পাশাপাশি পরিবারের কারও অ্যালার্জি বা অ্যাজমা আছে কিনা জানাতে হবে। পাঁচ বছরের নিচের শিশুর অ্যাজমাতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে কিনা তা ধারণা করার নির্দিষ্ট গাইডলাইন আছে। এ ধারণা করা যায় কিছু বড় লক্ষণ এবং কিছু ছোট লক্ষণকে একত্রে মিলিয়ে। কম বয়সে বুকে সাঁই সাঁই শব্দ (এক বছরে অন্তত তিনবার এমনটি ঘটেছে, প্রতিবার কমপক্ষে এক ঘণ্টা করে এটি থেকেছে এবং শিশুর নিদ্রায় ব্যাঘাত ঘটেছে)।

বড় লক্ষণ বা প্রধান লক্ষণ : বাবা মায়ের অ্যাজমা, এটোপিক ডারমাটাইটিস (একজিমা)।

ছোট লক্ষণ বা অপ্রধান লক্ষণ : অ্যালার্জিক রাইনাইটিস (হে ফিভার)। রক্তের মধ্যে অ্যালার্জি কোষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া। সর্দি বা ভাইরাস সংক্রামণ ছাড়াই বুকেসাঁ সাঁ শব্দ। পারিবারিক রোগের ইতিহাস ছাড়াও জন্মের পর থেকে এ পর্যন্ত শিশুর সমস্ত অসুখের তথ্য সবিস্তারে জেনে নিতে হবে। বিশেষ করে খোঁজ নিতে হবে গলাফোলা, ব্রঙ্কিওলাইটিস বা নিউমোনিয়া হয়েছিল কিনা। পিতা মাতা কোনো কিছুকে শিশুর অসুখের কারণ বলে মনে করেন কিনা। শিশুকে ইতোমধ্যে কোন কোন ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে, তার আগের তালিকা সংগ্রহ করতে পারলে খুব ভালো হয়। এটাও জানতে হবে যে ওষুধ ব্যবহার করে উপকার পাাওয়া গিয়েছিল কিনা। কিংবা কোনো ওষুধ থেকে শিশুর কোনো গুরুতর পাশর্্বপ্রতিক্রিয়া হয়েছিল কিনা। অসুস্থতার ইতিহাস জানার পরে ডাক্তার রোগীর যেসব শারীরিক পরীক্ষা করবেন-

ত্বক : শুস্ক, লালচে, চুলকানি বা চুলকানির দাগ।

ফুসফুস : সাঁই সাঁই শব্দ, কাশি, নিঃশ্বাসের শব্দে কোনো অস্বাভাবিকতা, শ্বাস বায়ু প্রবাহের।

বুক : ঠেলে ওঠা বুক, বা কাঁধের ফোলা মাংসপেশি যা নিঃশ্বাসের কষ্টের কারণে হয়ে থাকে।

চোখ, কান, নাক, গলা : লাল চোখ, চোখ থেকে পানি ঝরা, নাকের পাটা ফুলে থাকা, নাক থেকে নিঃসৃত সর্দির বর্ণ ও পরিমাণ, টনসিলের আকার ও রঙ, ঘাড়ে কোনো লসিকাগ্রন্থি ফোলা কিনা। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যাজমা আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে শতকরা ৮৫ জনই অ্যালার্জি স্কিন টেস্টে পজিটিভ হয়েছে।অ্যালার্জি স্কিন টেস্ট এখন নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা। এক্ষেত্রে ত্বকে সন্দেহ ভাজন এলার্জেন গুলোকে প্রিক এর মাধ্যমে দিয়ে দেওয়া হয়। প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয় করা হলে অ্যালার্জি ও অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।

সূত্র - bd-pratidin.com

 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: সাইনাস নিয়ে যত সমস্যা
Previous Health Tips: প্রশ্ন : টক খেলে ঘা শুকায় না—কথাটি কি ঠিক?

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')