বর্তমানে ডায়াবেটিস আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ক্রমশও বেড়েই চলেছে। আর এর মূল কারণ হলো ‘আধুনিক’ জীবনযাত্রা, মানুষের খাদ্যাভাসের আমূল পরিবর্তন ও শারিরীক শ্রম না করা। অনেকেই ভাবেন, বয়স বেশি হলেই কেবল ডায়াবেটিস হয়। তবে সত্যিটা হচ্ছে, এই রোগের কোনো বয়স নেই।
একটা তিন মাসের শিশুরও ডায়াবেটিস হতে পারে। অর্থাৎ তিন মাসের শিশু থেকে শুরু করে আশি নব্বই বছরের ব্যক্তিও যেকোনো মুহূর্তে এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।
এই রোগের কারণ উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে বংশগত রোগের ইতিহাস দেখা হয়। তবে তার মানে এই নয়, পূর্বপুরুষের থাকলে আপনারও এ রোগ হবে। এক কথায় ডায়াবেটিস বংশগত রোগ নয়। এছাড়া অনেকেই এ রোগ হওয়ার ভয়ে মিষ্টিজাতীয় খাবার, ফলমূল ইত্যাদি খাওয়া ছেড়ে দেন। যা একেইবারেই ভুল ধারণা।
প্রত্যেক মানুষের ফাস্টিং ব্লাড সুগার একশর নিচে থাকাটা স্বাভাবিক। ১২৬ বা এর বেশি হলেই ডায়াবেটিস হয়। আর পোস্ট গ্লুকোজ ব্লাড সুগারের মাত্রা ১৪০ এর নিচে থাকাটা স্বাভাবিক তবে ২০০ এর বেশি হলেই ডায়া্বেটিস হয়। তবে মূল কথাটা হচ্ছে, অনেকেই জানেননা ফাস্টিং ব্লাড সুগারের মাত্রা ১০১ থেকে ১২৫ ও পোস্ট গ্লুকোজ ব্লাড সুগারের মাত্রা ১৪১ থেকে ১৯৯ এর মধ্যে থাকলে কী হতে পারে। মূলত এটাকে প্রি ডায়াবেটিস, অর্থাৎ ডায়াবেটিসের প্রাথমিক পর্ব হিসেবে গণ্য করা হয়।
ব্লাড সুগার পরীক্ষা করার সময় কতটা সময় না খেয়ে থাকতে হবে, কী পরিমাণ পানি খেতে হবে তা ডাক্তাররাই বলে দেন। মোটামুটি আট ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে পারলেই যথেষ্ট। এই সময় বিশুদ্ধ পানি পান করতে হয়। ধুমপান অবশ্যই নিষিদ্ধ।
ডায়াবেটিস হয়ে গেলেও ডাক্তারের পরামর্শ মতো এক বা দুই মাসের মাথার রক্ত পরীক্ষা করাতে হয়। এই সময় চিকিৎসকের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সূত্র: ওয়েবসাইট।
সূত্র - natunbarta.com

