home top banner

খবর

বিষাক্ত বর্জ্যের হুমকিতে ২০ কোটি মানুষ
২০ নভেম্বর, ১৩
Tagged In:  environment   Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   41

সারা বিশ্বে ২০ কোটির বেশি মানুষ বিষাক্ত বর্জ্যের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে। ব্ল্যাকস্মিথ ইনস্টিটিউট অ্যান্ড গ্রিন ক্রসের পরিচালিত এক সমীক্ষা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। খবর বিবিসি অনলাইনের।

৪৯টি দেশের তিন হাজারের বেশি জায়গায় এ সমীক্ষা চালানো হয়। সমীক্ষা পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব এলাকার মানুষ এমন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে, যা ম্যালেরিয়া ও যক্ষ্মার মতো গুরুতর। ব্ল্যাকস্মিথ ইনস্টিটিউটের গবেষণা পরিচালক এবং নিউইয়র্কের সিটি ইউনির্ভাসিটির পাবলিক হেলথের অধ্যাপক জ্যাক ক্যারাভানুস বলেন, এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু, যা এখনো পরিমাপ করা যায়নি।’

ঘানার রাজধানী আক্রার আগবুব্লুসাই ডাম্পিং ইয়ার্ড হচ্ছে মানুষের জন্য  সবচেয়ে বেশি দূষিত ঝুঁকিপূর্ণ স্থান। গবেষকেরা জানান, সরকারের কাছে এ তথ্য লুকানো নয় বরং তারা এ বিষয়ে সচেতন রয়েছে।

ক্যারাভানুস বলেন, আগবুব্লুসাইকে বৈশ্বিক ইলেকট্রনিক বর্জ্যের আস্তাকুঁড়েতে পরিণত করা হয়েছে, যা পরিবেশ এবং মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ।

দ্বিতীয় বৃহত্তম ইলেকট্রনিকস বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ এলাকা হলো পশ্চিম আফ্রিকার ঘানা। দেশটি বিদেশ থেকে বিশেষ করে ইউরোপের পশ্চিমাঞ্চল থেকে প্রতিবছর ব্যবহূত পুরোনো ইলেকট্রনিকস পণ্য আমদানি করে থাকে। বছরে এর পরিমাণ প্রায় দুই লাখ ১৫ হাজার টন। তা থেকে এক লাখ ২৯ হাজার টন বর্জ্য উত্পন্ন করে। 

গবেষণা প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, ২০২০ সাল নাগাদ ঘানার এ আমদানির পরিমাণ দ্বিগুণ হতে পারে।

গবেষণায় দ্বিতীয় ঝুঁকিপূর্ণ স্থান হিসেবে রয়েছে ইউক্রেনের চেরোনোবিল। এরপরই রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার সীতারাম নদী অববাহিকা। দূষিত বর্জ্যের কারণে বিশ্বের সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১০টি স্থানের তালিকায় আফ্রিকা, ইউরোপ ও এশিয়ার তিনটি স্থান রয়েছে। রয়েছে লাতিন আমেরিকাও।

এসব স্থান থেকে বাতাসে, পানিতে ও মাটিতে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ছড়িয়ে পড়ে। এতে এসব এলাকার শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

জ্যাক ক্যারাভানুস বলেন, অনেক জায়গায় ভূমির এমন ক্ষতিসাধন হয়েছে, যা আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তাই একমাত্র উপায় হচ্ছে সেখানকার লোকজনকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া এবং দূষণস্থলটি সিল করে দেওয়া।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশনের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ২৩ শতাংশ মানুষের মৃত্যুর কারণ পরিবেশদূষণ।

সূত্র - প্রথম আলো

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসম্মত গণশৌচাগার স্থাপনের দাবি
Previous Health News: স্ত্রীর ব্যক্তিত্ব নয়, শারীরিক সৌন্দর্যই মুখ্য

আরও খবর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... আরও দেখুন

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... আরও দেখুন

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... আরও দেখুন

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... আরও দেখুন

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... আরও দেখুন

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')