home top banner

খবর

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য মানুষই দায়ী
২৭ সেপ্টেম্বর, ১৩
Tagged In:  environment   Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   54

  বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য মানুষই দায়ী বলে ৯৫ ভাগ নিশ্চিত হয়েছেন পরিবেশ বিজ্ঞানীরা। শুক্রবার বিশ্বের উষ্ণতা বৃদ্ধির পেছনে মনুষ্যসৃষ্ট কারণই দায়ী বলে বিজ্ঞানীদের এ নিশ্চয়তার তথ্য জানিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ বিষয়ক আন্তঃসরকার সংস্থা ‘ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ’ (আইপিসিসি)।

সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের সপ্তাহব্যাপী সম্মেলনের পর শুক্রবার এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে আইপিসিসির বিশেষজ্ঞরা জানান, ১৯৫০ সালের পর বিশ্বের পরিবেশের আচরণে যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে তা কেবল মনুষ্য সৃষ্ট কারণেই। এছাড়া বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী ভৌত প্রমাণাদিও উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূখণ্ডে, বাতাসে এবং সাগরে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির বিষয়টি ‘স্পষ্টতর’।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, উষ্ণতা বৃদ্ধি ঠেকাতে গত ১৫ বছর ধরে কার্বন গ্যাস নিঃসরণ যে হারে কমানো গেছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

আইপিসিসির প্রতিবেদনে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ আরও বেশি উষ্ণতা বাড়াবে এবং পরিবেশের নিয়মকে পুরো পরিবর্তন করে দেবে।

আইপিসিসির প্রতিবেদনটির ৩৬ পৃষ্ঠার প্রথম কিস্তিতে বলা হয়, ১৯৫০ সালের পর থেকে পরিবেশের যে নেতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে সেটা আগের সহস্রাব্দের চেয়েও বেশি।

আইপিসিসির কার্য নিবার্হী দলের সহ-সভাপতি কিন দাহে বলেন, বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ চালিয়ে আমরা দেখেছি, বায়ুমণ্ডল ও সমুদ্রপৃষ্ঠ উষ্ণ হয়ে উঠছে। বরফ গলে যাচ্ছে এবং সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণের পরিমাণও বেড়ে যাচ্ছে। 

স্টকহোমে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির আরেক সহ-সভাপতি প্রফেসর থমাস স্টকার বলেন, ১৯৫০ সালের পর থেকে যে হারে উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়েছে, তার অর্ধেকেরও বেশি কারণের জন্য সরাসরি মানুষই দায়ী।

উল্লেখ্য, পরিবেশ বিজ্ঞানীদের হুঁশিয়ারির পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৯ সালে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনে বৈশ্বিক উষ্ণতার বৃদ্ধির হার ২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের নিচে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বিশ্বনেতারা। তুলনামূলকভাবে সে লক্ষ্যে কিছুটা কার্বন গ্যাস নিঃসরণ কমানোও গেছে। কিন্তু আইপিসিসির প্রতিবেদন বলছে, গত ১৫ বছরে যে মাত্রায় গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমানো গেছে সেটা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এ কারণে বিশ্বকে আরও কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সুত্র - বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: সরকার স্বাস্থ্য খাতে আমূল পরিবর্তন এনেছে
Previous Health News: স্বপ্ন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব?

আরও খবর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... আরও দেখুন

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... আরও দেখুন

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... আরও দেখুন

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... আরও দেখুন

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... আরও দেখুন

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')