home top banner

খবর

অস্তিত্বহীন এনজিওকে জলবায়ু তহবিল দিলো পিকেএসএফ
০৩ অক্টোবর, ১৩
Tagged In:  environment   Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   32

 জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় যে ৬৩টি বেসরকারি সংগঠনকে (এনজিও) প্রকল্প বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল, তা মধ্যে ১০টি এনজিওর কোনো অস্তিত্বই খুঁজে পায়নি দুর্নীতিবিরোধী  আন্তর্জাতিক সংগঠন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। তাছাড়া ওই ৬৩টি এনজিওর মধ্যে অন্তত নয়টি প্রতিষ্ঠান রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে প্রকল্প পেয়েছে বলেও জানায় টিআইবি।

'বাংলাদেশে জলবায়ু অর্থায়ন " সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়' শীর্ষক টিআইবির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যে ৬৩টি এনজিওকে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড থেকে অর্থ দেয়া হয়েছে,  তার মধ্যে ১৩টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ রাজনীতির সাথে জড়িত। এমনকি মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি নিবন্ধন বাতিল করেছিল, এমন প্রতিষ্ঠানও জলবায়ু তহবিলের প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

তবে পিকেএসএফ মোট ৬৩টি এনজিওর অনুকূলে প্রকল্প বরাদ্দ দেয়ার কথা জানালেও টিআইবি আটটি এনজিওর কোনো তালিকা পায়নি। পিকেএসএফ ওই আটটি এনজিওর তালিকা দেয়নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী ৫৫টি এনজিও’র মধ্যে মাত্র ১৭টি প্রতিষ্ঠান প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কাজে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত থাকলেও বাকি এনজিওগুলোর মধ্যে অনেকেরই এ বিষয়ে কাজ করার কোনো অভিজ্ঞতা নেই।

জলবায়ু অর্থায়নের সার্বিক অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে প্রতিবেদনে জানানো হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী দেশগুলো বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ স্ট্রাটেজিক এ্যাকশন প্ল্যান (বিসিসিএসএপি) প্রণীত কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে প্রতি বছর এক বিলিয়ন ডলার করে পাঁচ বছরে মোট পাঁচ বিলিয়ন ডলার অর্থ দেয়ার কথা থাকলেও গত জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে মাত্র ৫৯৪ মিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে।

তাছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী শিল্পোন্নত দেশগুলোর ক্ষতিপূরণের অর্থে গঠিত ক্লাইমেট চেঞ্জ রেজিলিয়েন্স ফান্ডের আওতায় বিশ্বব্যাংকের নেতৃত্বে যে প্রকল্পটি দেশের বিভিন্ন এলাকায় বাস্তবায়ন করা হয়েছে, সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে  সম্পৃক্ত করা হয়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। উপরন্তু  এই তহবিলে বাস্তবায়নরত একটি প্রকল্পকে মাঠ পর্যায়ে বিশ্ব ব্যাংকের ‘ঋণ সহায়তা’ প্রকল্প হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা আদৌ সঠিক নয়। তাছাড়া ওই প্রকল্পের ঠিকাদার নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রভাব ছিল এবং সেখানে সরকারি ক্রয় আইনও লংঘন করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে গঠিত জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় ঢাকার রায়ের বাজার সংলগ্ন হাইক্কার খাল এবং নারায়ণগঞ্জের চারারগোপের সঞ্চিত পলিথিনসহ অন্যান্য বর্জ্য অপসারণ প্রকল্প কাজের মান নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে টিআইবির ওই প্রতিবেদনে।

এরকম বাস্তবতায় জলবায়ু তহবিলের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রকল্প অনুমোদন ও বাস্তবায়নে টিআইবি ভবিষ্যতে  প্রকল্প নির্বাচন, অনুমোদন এবং বাস্তবায়নের সকল পর্যায়ে সর্বোচ্চ তথ্যের উন্মুক্ততা নিশ্চিত করা; প্রকল্প তৈরির আগে অবশ্যই প্রকল্পের স্থায়িত্ব, ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর  মতামত বিবেচনায় আনা; জলবায়ু তহবিল ব্যবস্থাপনার সকল স্তরে সহজে অভিযোগ গ্রহণ এবং দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করার সুপারিশ করেছে।

এছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা বিভিন্ন এনজিও যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে এবং ভবিষ্যতে করবে, সেক্ষেত্রে পিকেএসএফকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেয়ারও সুপারিশ করেছে টিআইবি। 

সুত্র - natunbarta.com

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে দুধ দেবে মিল্কভিটা
Previous Health News: চীনে ভিমরুলের আক্রমণে ৪২ জনের মৃত্যু

আরও খবর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... আরও দেখুন

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... আরও দেখুন

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... আরও দেখুন

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... আরও দেখুন

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... আরও দেখুন

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')