home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

রিউমেটিক ফিভার বা বাতজ্বর
১১ নভেম্বর, ১৩
Tagged In:  Child Health  rheumatic fever  
  Viewed#:   196

rheumatic-fever-symptoms

রিউমেটিক ফিভার বা বাতজ্বর শিশুদের হার্টের রোগের মধ্যে অন্যতম। রোগ সংগঠনের সুনির্দিষ্ট কারণ রয়েছে বিধায় তার চিকিৎসা তথা প্রতিরোধও সম্ভব। এজন্য রোগটির উৎপত্তি, বিস্তার, পরিবেশগত ঝুঁকি ও অন্যান্য বিষয়ে সবার সঠিক ধারণার প্রয়োজন। আমাদের দেশে এ রোগটি প্রতি হাজারে ১.২ জন। আক্রান্তদের বেশিরভাগই ছেলেশিশু এবং বয়স ৫ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোয় এ রোগের বিস্তার একুশ শতকের শুরু থেকেই কমতে শুরু করেছে। ধারণা করা হয়, উন্নত জীবনযাত্রা, প্রযুক্তিসহ স্বাস্থ্যব্যবস্থাপনার প্রসার, জনসাধারণের সচেতনতাই এর কারণ। কিন্তু আমাদের দেশে রোগ সংক্রমণের হার এখনো উদ্যোগজনক পর্যায়ে রয়ে গেছে।

এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া বা অনুজীব গ্রুপ-এ বিটা হেমোলাইটিক স্ট্রেপটোকক্কাসজনিত শ্বাসনালির প্রদাহের সঙ্গে বাতজ্বরের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক রয়েছে। রোগাক্রান্ত শিশুদের দুই-তৃতীয়াংশের শ্বাসনালির প্রদাহে আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস থাকে। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে স্ট্রেপটোকক্কাস জীবাণুকে শনাক্ত করা সম্ভব। ঘনবসতিপূর্ণ, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে বেড়ে ওঠা শিশুদের সাধারণত শীতকালে এ রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। অ্যান্টিবায়োটিক পেনিসিলিন ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে শুরুতেই শ্বাসনালির প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করে বাতজ্বরের প্রকোপ কমানো যায়। আবার দীর্ঘমেয়াদি এ ওষুধ প্রয়োগ করে বারবার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা এবং বাতজনিত হৃদযন্ত্রের অসুবিধা দূর করা সম্ভব। আমাদের দেশে ব্যাপকভাবে থাকলেও এখন পর্যন্ত বাতজ্বরের প্রকোপ জনসাধারণ তো বটেই এমনকি চিকিৎসক মহলেও এ বিষয়ে ভুল অথবা অসম্পূর্ণ ধারণা বিরাজমান। এ জন্য রোগটি নির্ণয় এবং চিকিৎসা প্রদানের জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। তাই প্রচলিত ধারণা এবং ঘটনা এ ক্ষেত্রে তুলে ধরলে, বিভ্রান্তি আশা করি কেটে যাবে।

বাতজ্বর প্রতিরোধে করণীয়
শুরুতেই স্ট্রেপটোকক্কাসজনিত শ্বাসনালির প্রদাহ শনাক্ত করে পেনিসিলিন জাতীয় ওষুধ প্রয়োগে বাতজ্বরের প্রকোপ কমিয়ে ফেলা সম্ভব।
পরিচ্ছন্ন এবং খোলা সুস্থ সুন্দর পরিবেশে জীবনযাপনে অভ্যস্ত হওয়া। বাতজ্বরের সময় একমাত্র সময়োপযোগী চিকিৎসাই রোগের দীর্ঘমেয়াদি অসুবিধা বা জটিলতা যেমন বাতজ্বরজনিত হৃদযন্ত্রের অসুবিধা থেকে শিশুদের মুক্ত রাখতে সাহায্য করবে। 

সূত্র - যায়যায়দিন
 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: হবু মায়েদের যত্ন
Previous Health Tips: সাত খাবারে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি ৫০% হ্রাস

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')