
৫। লজেন্স চোষা
গলা ব্যাথা! খুসখুসে কাশি! হ্যাঁ, এগুলো হলে অনেকেই প্রাথমিক উপশম হিসাবে কফ-লজেন্স চুষে খান। জিহবার অগ্রভাগ দিয়ে দাঁত ঠেকিয়ে গালের এক পাশ থেকে আরেক পাশে নেন অথবা জিহবার গোঁড়ার দিকে গলার ভিতরে নিয়ে যান। এমনটি করে চুষতে থাকেন। এতে যেমন দাঁতের এনামেলের ক্ষতি হতে পারে তেমনি কফের সাথে সুগার মিশ্রিত হয়ে তা মুখের বিভিন্ন অংশে, দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে লেগে থাকতে পারে। আর আমরা সবাই জানি সুগারি ফুড দাঁত ক্ষয়ের অন্যতম কারন। তবে হ্যাঁ, যদি লজেন্স খেতেই হয় তাহলে প্যাকেটের গায়ে উল্লেখিত উপাদানগুলো দেখে নিন চিনি আছে কি-না। আর চোষার ধরণ পালটে ফেলুন।

৬। দাঁতের ব্লিচিং
দাঁতের রঙ নষ্ট হলে কিংবা হলুদ হয়ে গেলে বা হলদেটে ভাব হলে অনেকেই ব্লিচিং বা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ডেন্টিস্টের সহায়তায় কিংবা ঘরে বসে সাদা করেন। তবে অনেক ক্ষেত্রেই না বুঝে অতিরিক্ত হোয়াইট করতে গিয়ে অনেকে বিপদ ডেকে আনেন। এতে দাঁতে যেমন দাগ পড়ে যেতে পারে তেমনি দাঁতের গোড়ার নার্ভের ক্ষতি হতে পারে। এছাড়া ব্লিচিং করার সময় এবং পরে মাড়িতে সুড়সুড়ি বা চুলকানি, জ্বালা-পোড়া দেখা দিতে পারে। এ রকমটি হলে সাথে সাথে ব্লিচিং করা বন্ধ করে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।

৭। এসিডিক খাবার গ্রহণের পরপরই ব্রাশ করা
জেনে রাখুন, যে কোন এসিডিক খাবার বা পানীয় গ্রহণের সময় দাঁতের স্ট্রাকচার সাময়িক নরম হয়ে পড়ে। কাজেই এসিডিক খাবার বা জ্যুস যেমন লেবু, কমলালেবু, বা এগুলোর রস বা যে কোন এসিডিক খাবার খাওয়ার পরপর ব্রাশ করলে দাঁতের এনামেল এর ক্ষয় হতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা বলেন, এ জাতীয় খাবার খাওয়ার অন্ততঃ ৩০ মিনিট পর ব্রাশ করা উচিত। এই সময়ের মধ্যে মুখের লালা এসিডিক খাবারের কণা এবং এসিডিক ভাব দূর করে মুখের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনে। আর যদি একান্তই অপেক্ষা করতে না পারেন, তাহলে বিকল্প হিসাবে সুগারলেস বা চিনিবিহীন চুইং গাম চিবাতে পারেন। এতে প্রচুর লালা উৎপাদন হবে এবং বেশ তাড়াতাড়ি মুখের এসিডিক ভাব দূর হবে।
বেস্ট হেলথ ম্যাগাজিন থেকে হেলথ প্রায়র ২১

