টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য সাকিব আল হাসান দুটি প্রতিজ্ঞা করেছেন। একটি হলো সেরা খেলা উপহার এবং অপরটি হলো এইডস সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা।
আজ মঙ্গলবার জাতিসংঘ শিশু তহবিল, ইউএনএইডস ও ইউনিসেফ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাকিব আল হাসান এসব কথা বলেন।
রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ক্রিকেটে বিভেদ-বৈষম্যের জায়গা নেই। ক্রিকেট ও ক্রিকেটার সবার। তাই এইডস-আক্রান্ত রোগীদের মানবাধিকার রক্ষায় আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ক্রিকেট ও ক্রিকেটাররা সবাইকে সচেতন করবেন।
থিঙ্ক ওয়াইজ ক্যাম্পেইনের আওতায় বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান, ভারতের বীরেন্দর শেবাগ, শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ড্যারেন স্যামি, অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিংসহ আরও কয়েকজন জনপ্রিয় ক্রিকেটার সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করবেন, সচেতন করবেন।
সাকিব আল হাসান আরও বলেন, ‘বিশ্বে এইচআইভি এইডসে আক্রান্ত রোগীদের একটি বড় অংশের বয়স ১৫-২৪ বছর। তরুণদের বলতে চাই, আপনারা সতর্ক থাকুন, সচেতন হোন। দ্বিধা করবেন না, সত্য জানুন। প্রয়োজনে পরীক্ষা করান।’
ইউনিসেফ প্রতিনিধি প্যাসকেল ভিলনোভ বলেন, এই প্রচারের অংশ হিসেবে খেলোয়াড়েরা লাল ফিতা পরবেন, বাউন্ডারি বোর্ডে সচেতনতামূলক বার্তা থাকবে। প্রচারমাধ্যমগুলোর কল্যাণে এই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।
ধীরাজ মালহোত্রা আশা করছেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাধ্যমে ১০০ কোটি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা সম্ভব হবে।
ইউএনএইডসের এ-দেশীয় পরিচালক লিও কেনি বলেন, থিঙ্ক ওয়াইজ ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্য হলো নতুন করে এইচআইভি এইডসের সংক্রমণ শূন্যে নামিয়ে আনা। এইডসে মৃত্যুর হার শূন্যে নামিয়ে আনা ও বৈষম্যকে শূন্যে নামিয়ে আনা।
এর আগে সকালে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা মিরপুরে এইডস-আক্রান্ত ১৫টি শিশুর সঙ্গে ক্রিকেট খেলে সময় কাটান। তবে সংবাদ সম্মেলনে ক্রিকেট নিয়ে সাকিবকে প্রশ্ন করায় বিধিনিষেধ ছিল আয়োজকদের।
২০০৩ সালে ইউএনএইডস ও আইসিসি থিঙ্ক ওয়াইজ ক্যাম্পেইনের সূচনা করে। ২০০৬ সালে এই প্রচারে যুক্ত হয় ইউনিসেফ।
সূত্র - প্রথম আলো

