পাবনা মানসিক হাসপাতালে গতকাল শনিবার সকালে আশরাফুল ইসলাম (৪২) নামের এক মানসিক রোগীর মারধরে জয়নাল আবেদিন (৪২) নামের অপর এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। জয়নাল নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার নাংটাদহ গ্রামের মৃত লঘু শেখের ছেলে।
এ ঘটনায় পুলিশ আশরাফুলকে আটক করেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দুজন মানসিক রোগীই হাসপাতালের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন। ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে সবাই জখন ঘুমিয়ে তখন তাঁদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আশরাফুল বাথরুম পরিষ্কার করার ব্রাশ ভেঙে জয়নালের গলায় আঘাত করেন এবং মুখের ভেতরে ঢুকিয়ে দেন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আবদুস সাত্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘তাঁরা দুজনই মানসিক রোগী। সবাই ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় ঘটনাটি ঘটেছে। আমরা ঘটনা তদন্তে সাত সদস্যের একটি কমিটি করেছি।’ এ প্রসঙ্গে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী হানিফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার পর পুলিশ আশরাফুলকে আটক করেছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তর জন্য পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি মামলা করবে বলে জানিয়েছে। মামলাটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সূত্র - প্রথম আলো

