শিশুটি এখনো কিন্ডারগার্টেনেই ভর্তি হয়নি। অথচ তার আইকিউ ১৬০ ছাড়িয়ে গেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার মাত্র ৩ বছর বয়েসী অ্যালেক্সিস মার্টিনকে তার বিস্ময়কর বুদ্ধিমত্তার জন্য এখন সবাই চিনেন।
ফনিক্স টেলিভিশন স্টেশন জানায়, অ্যারিজোনার শহরতলী কুইন ক্রিকের এই ছোট্ট মেয়েটির আইকিউ ১৬০-এর ওপরে। বুদ্ধিমত্তায় সেরা মানুষদের নিয়ে গঠিত একটি সংগঠন মেনসা'র সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে স্থান পেয়েছে মেয়েটি।
অ্যালেক্সির গর্বিত পিতা ইয়ান মার্টিন স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এবিসি১৫-কে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, তার আইপ্যাড থেকে মেয়েটি নিজে নিজেই স্প্যানিশ ভাষা শিখেছে এবং ফিফথ-গ্রেড লেভেলে পড়তে পারে। মানুষের বুদ্ধিমত্তা পরিমাপের পরীক্ষায় বয়স অনুসারে অ্যালেক্সিয়ার এ পারদর্শীতা দেখা যায় শতকরা ২ ভাগ মানুষের মধ্যে। তাও সহসা মেলে না।
মেয়েটির বাবা বলেন, ওর এক বছর বয়সে প্রথম এ বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পাই। ওই বয়েসেই সে তার বিছানায় শুয়ে শুয়ে মায়ের কাছে শোনা গল্পগুলো মুখস্থ বলতো। শুধু মুখস্থ বলাই নয়, সে হুবহু বলতে পারতো।
এবিসি১৫-কে তিনি আরো বলেন, মেয়েটি মাত্র দুই বছর বয়স থেকে পড়া শিখেছে। কোন শিশুটি আছে যে কিনা জন্মের দুই বছর পরই পড়তে শেখে?
মেনসা সংগঠনের এক মুখপাত্র জানান, গোটা আমেরিকার ১৮ বছরের কম বয়েসের মাত্র ৩ হাজার ৩০০ জন সদস্যের মধ্যে এখন অ্যালেক্সিয়া সবচেয়ে ক্ষুদে সদস্য। সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার
সূত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ

