ঢাকার ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ১৬টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ৩৮ জন চিকিৎসকের মধ্যে গত বুধবার ৩৫ জনই অনুপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একটি দল হঠাৎ পরিদর্শনে এসে এই অনিয়ম পান। শিগগিরই ওই চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পরিদর্শক দলের কর্মকর্তারা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে জানা যায়, ৫০ শয্যার ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২২ জন চিকিৎসক আছেন।
উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের প্রতি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে রয়েছেন আরও ১৬ জন চিকিৎসক। এর মধ্যে সাতটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভবন না থাকায় ওই সব কেন্দ্রের সাত চিকিৎসককে প্রেষণে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। এ কারণে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে মোট চিকিৎসক সংখ্যা ২৯।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত বুধবার সকাল সোয়া আটটায় পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব বাসুদেব গাঙ্গুলী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ। হাসপাতালে পৌনে ১০টা পর্যন্ত ২৬ জন চিকিৎসক অনুপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ আসেন বেলা ১১টার পরে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৯ জনের মধ্যে ছয়জন চিকিৎসক উপস্থিত হন।
ওই সময়ের মধ্যে নয়টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মুঠোফোনে খোঁজ নিয়েও পরিদর্শক দল কোনো চিকিৎসকের উপস্থিতির প্রমাণ পাননি। অথচ সকাল আটটার মধ্যে এসব চিকিৎসকের কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়ার কথা।
পরিচালক (প্রশাসন) শাহনেওয়াজ বলেন, চিকিৎসকদের অনুপস্থিতিসহ হাসপাতালটিতে আরও অনেক অব্যবস্থাপনা লক্ষ করা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবুল কালাম আজাদ তথ্য অধিকার আইনে আবেদন না করলে কোনো তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।
মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব বাসুদেব গাঙ্গুলী বলেন, আগামী রোববার মন্ত্রণালয় সচিবের কাছে পরিদর্শনের প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে। এরপর অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র - প্রথম আলো

