সুচিত্রা সেনের নিরাপত্তার কথা ভেবে কলকাতার বেল ভিউ হাসপাতালের বাইরে ও হাসপাতালের চত্বরে পুলিশের প্রচুর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সেখানে আছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও। হাসপাতালের বাইরে তৈরি করা হয়েছে ব্যারিকেড আর সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের জন্য এনক্লোজার। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গত শনিবার রাত থেকেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
গতকাল রোববার প্রায় সারাদিন ঘুমাননি সুচিত্রা সেন। ইশারায় সাড়া দিয়েছেন। শরীর খুবই দুর্বল। বিকেল পর্যন্ত তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল ছিল।
এদিকে শনিবার সুচিত্রা সেনের গলায় কফ আটকে তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এরপর এন্ডোট্রাকিয়াল টিউবের মাধ্যমে কফ বের করা হয়। ব্যবহার করা হয় সাকশন মেশিন। এ সময় কফের সঙ্গে বেরিয়ে আসে রক্ত। প্রচণ্ড কষ্ট হওয়ায় বারবার মুখের নল খুলে ফেলার চেষ্টা করেন সুচিত্রা সেন। পরে তাঁকে ঘুমের ইনজেকশন দেওয়া হয়। রাতেই তাঁকে দেখতে যান বেলুড় মঠের মহারাজ দীপ্তিপ্রকাশ ও নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ সর্বগানন্দ। সুচিত্রা সেন তখন ঘুমাচ্ছিলেন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সুকুমার মুখোপাধ্যায় জানান, নন-ইনভেসিভ ভেন্টিলেশনে রাখার পরও সুচিত্রা সেনের শারীরিক অবস্থার তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সূত্র - প্রথম আলো

