
গৃহযুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ায় ১৪ বছর পর প্রথম পোলিও’র প্রাদুর্ভাবের কারণে সংক্রামক এ রোগটি এখন সেখান থেকে ইউরোপেও ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। বলছেন, বিশেষজ্ঞরা।
সিরিয়ার চলমান যুদ্ধের কারণে পোলিও টিকা কর্মসূচি ঠিকমতো না চলায় এবং আশেপাশের দেশগুলোতে সিরীয় শরণার্থীর ঢলের কারণে পোলিও আন্তর্জাতিকভাবে ছড়িয়ে পড়ার সমূহ আশঙ্কা আছে বলে গত মাসে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
সিরীয় শরণার্থীদের কাছ থেকে পোলিও আক্রান্তের ঝুঁকির মুখে থাকা দেশগুলোর মধ্যে আছে অস্ট্রিয়া, ইউক্রেন। এ দেশগুলোতে পোলিও প্রতিরোধ ব্যবস্থা অপ্রতুল বলে ঝুঁকি বেশি, বলছেন ডাক্তাররা।
যুক্তরাজ্যে পোলিও প্রতিরোধ কর্মসূচি যথেষ্ট ভাল হলেও সেখানে কিছু শিশু পোলিও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মুখে আছে। পোলিও’র প্রাদুর্ভাব ঘটার ঝুঁকিতে আছে ইসরায়েলও।
যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার উত্তরপূর্বাঞ্চলে শিশুদের মধ্যে পোলিও দেখা দেয়ার খবর গত মাসের শেষ দিকে নিশ্চিত করে জানায় ‘ডব্লিউএইচও’।
পোলিও ধরা পড়াদের বেশিরভাগই ছোট শিশু। ২০১১ সালে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরুর আগে ৯৫ শতাংশ শিশুকেই পোলিও’র টিকা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু গৃহযুদ্ধের কারণে টিকাদান কর্মসূচিতে ভাটা পড়ে।
রোগটি খুব সহজেই ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
বিশেষ করে সিরিয়ার আশেপাশের দেশগুলোর শরণার্থী শিবিরগুলোতে যে উদ্বাস্তু সিরীয় শিশুরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করছে তাদের মধ্যে এ রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা বেশি বলে জানায় ডব্লিউএইচও।
সূত্রঃ bdnews24.com

