home top banner

খবর

যেভাবে পোলিওমুক্ত বাংলাদেশ
২৭ মার্চ, ১৪
Tagged In:  polio  polio in Bangladesh   Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   25

টিকা নিলে প্রতিরোধ করা যায়, এমন রোগের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের যুদ্ধ ৫০-এর দশকের শেষ থেকে। তবে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির শুরু ১৯৭৯ সালে। আর পোলিওমুক্তির ঘোষণা পেতে বাংলাদেশকে সংগ্রাম করতে হলো টানা ৩৫ বছর।

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য শুভদিন।

বাংলাদেশসহ এ অঞ্চলের ১১টি দেশকে আজ পোলিওমুক্ত বলে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। সংস্থা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য, রোগতত্ত্ব, ভাইরোলোজি, ক্লিনিকাল মেডিসিন এবং সংশ্লিষ্ট আরও কটি বিভাগের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছিল। এই কমিশন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিবেদন খতিয়ে দেখে পোলিওমুক্ত ঘোষণা দেওয়া যায় বলে মত দেয়। 

এরই ফলে দিল্লিতে হু-র আঞ্চলিক কার্যালয়ে পোলিওমুক্ত অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি পায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। হু সারা বিশ্বকে ছয়টি অঞ্চলে ভাগ করেছে। পোলিওমুক্ত অঞ্চল হিসেবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অবস্থান চতুর্থ। এ অঞ্চলের দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভুটান, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কোরিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, মায়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড ও পূর্ব তিমুর।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পুনম ক্ষেত্রপাল সিং অঞ্চলটিকে পোলিওমুক্ত রাখতে অগণন মাঠকর্মীর ভূমিকার কথা স্মরণ করেছেন। সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা, সুশীল সমাজ ও আন্তর্জাতিক সহযোগীদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

হু-র কর্মকর্তারা বলছেন, এর আগে পোলিও টিকা মুখে খাওয়ানো হতো। ২০১৫ সালের শেষ নাগাদ অঞ্চলটিতে ইনজেকশনের মাধ্যমে টিকা দেওয়া শুরু হবে।

বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান থুসারা ফার্নান্দো বলেছেন, ‘পোলিওমুক্ত অঞ্চলের স্বীকৃতি পাওয়ার অনুভূতি অসাধারণ। তবে আমাদের সংগ্রাম শেষ হয়ে যায়নি। গোটা বিশ্বকে পোলিওমুক্ত করার যে সংগ্রাম, তাতে আমরা শামিল হব।’ 

বাংলাদেশ অনন্য উদাহরণ: ৫০-এর দশকের শেষ দিকে বাংলাদেশে প্রথম যক্ষ্মা প্রতিরোধে টিকার প্রবর্তন হয়। ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি চালু করে দেশটির সরকার। সেই থেকে দেশটিতে সরকার বদল হলেও পোলিওমুক্তির সংগ্রামে একযোগে কাজ করেছে সবাই। ১৯৮৫ সালে পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের পোলিও টিকা  খাওয়ার হার ছিল ২ শতাংশ। ঠিক ১০ বছরের মাথায় এই হার গিয়ে দাঁড়ায় ৬০ শতাংশে। এ বছরের গোড়াতে শতভাগ শিশুকে পোলিও টিকা খাওয়ানো সম্ভব হয়েছে।

২০০০ সাল থেকে টানা ছয় বছর বাংলাদেশ পোলিওমুক্ত ছিল । কিন্তু ২০০৬ সালে সীমানা পেরিয়ে পোলিও ভাইরাস বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ব্যাপকভিত্তিতে পোলিও টিকা খাওয়ানো শুরু হয়। ২০০৬ সালের পর গত সাত বছরে আর কোনো সংক্রমণের ঘটনা ঘটেনি। ২০১১ সালে ভারতে আবার পোলিও সংক্রমণের কারণে অঞ্চলটিকে আরও তিন বছর অপেক্ষা করতে হলো।

হু বলছে, বাংলাদেশ সারা বিশ্বে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির জন্য সুবিখ্যাত। সারা দেশের ছয় লাখ টিকাদানকর্মী নিরলস কাজ করেছেন দেশটিকে এই সফলতা এনে দিতে।

সূত্র - প্রথম আলো

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: শিশুর অটিজমের সূত্রপাত মাতৃগর্ভেই
Previous Health News: অচেতন মনও মিথ্যা শনাক্ত করতে পারে

আরও খবর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... আরও দেখুন

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... আরও দেখুন

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... আরও দেখুন

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... আরও দেখুন

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... আরও দেখুন

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')