
ঢাকা: প্রত্যেক মানুষের জন্য প্রতিদিন নিশ্চিন্ত মনে ৭-৯ ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি। নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। পর্যাপ্ত না ঘুমালে মারাত্মক ব্যাধি মানুষের দেহে বাসা বাধতে পারে।
ঘুমানোর সময় মানুষের শরীরের পেশী গুলো সচল থাকে। দ্রুত রক্ত চলাচল করে। এতে শরীরের কার্য ক্ষমতা বৃদ্ধি সহ স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি করে।
তবে অনেকেই রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারে না। হয়তো অনেকেই চিন্তাও করে না কেন এমনটি হয়। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা ঠিকমতো ঘুম না আসার ৫টি কারণ খুঁজে বের করেছে।
১. কোলাহলপূর্ণ পরিবেশ: কোলাহলপূর্ণ পরিবেশ বা অস্বাস্থ্যকর বাসস্থান সুস্থ ঘুমের ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায়। এমন পরিবেশে ঘুমালে কারো পক্ষে ভালোভাবে ঘুমানো সম্ববনয়।
২. অনিয়মিত জীবনযাপন: অনিয়মিত জীবনযাপন করলে ঠিকমতো ঘুমানো সম্ভব নয়। এমন অনেকেই আছেন যারা কোনো কাজই রুটিন অনুযায়ী করেন না। তাদের পক্ষে এ সমস্যাটি বেশি হয়।
৩. মাদকদ্রব্য সেবন: অতিরিক্ত পরিমাণে মাদকদ্রব্য সেবন বা উত্তেজনা সৃষ্টি করে এমন দ্রব্য সেবন করলে সুস্থ ঘুম সম্ভব নয়।
৪. শারীরিক তাপমাত্রা: শরীরের তাপমাত্রা ঠিক না থাকলে শরীরের ভেতর অস্বস্তির সৃষ্টি হয়। এজন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।
৫. ব্যস্ত মন: সব কিছুকে বেধে রাখা গেলেও মানুষের মনকে বেধে রাখা সম্ভব নয়। এজন্য দেখা যায় অনেক সময় বিছানায় শুয়ে থাকার পরও ঘুম আসে না।
সম্প্রতি অন্য আরেকটি গবেষণায় বলা হয়েছে, ছোটবেলায় শিশুদের নিয়মিত না ঘুমাতে দিলে ভবিষ্যতে তাদের আচরণগত সমস্যা দেখা দিতে পারে। বয়স্কদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন কমপক্ষে ৭ ঘণ্টা না ঘুমালে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
সূত্র - ঢাকাটাইমস২৪.কম

