
হৃদরোগীদের জীবন যাপনে কোনো না কোনো ভাবে নেপথ্যে জড়িয়ে থাকে দুর্ভাবনা। ঈদ অবকাশে সবাই যখন মেতে ওঠেন আনন্দে, তখন একজন হৃদরোগী কেন থাকবেন নিরানন্দে? একটু যত্নবান হলে সবাই মিলেই ভাগাভাগি করা যেতে পারে ঈদের আনন্দ। সে জন্য চাই কিছু সতর্কতা এবং নিয়মিত নিয়ন্ত্রিত জীবন ধারা। প্রথমত খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন এবং সামান্য কিছু ব্যায়াম ও মেডিটেশনের মাধ্যমেই সুস্থতার প্রাথমিক ধাপে পা রাখতে পারেন। ধারাবাহিক হলিস্টিক চিকিৎসার অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের মনে দৃঢ় আস্থা ও বিশ্বাস জন্মেছে যে ব্লকেজ ধরা পড়েছে এমন রোগী প্রতিকার ও প্রতিরোধের ভেতর দিয়ে আনন্দ ময় নিশ্চিন্ত জীবনের অধিকারী হতে পারেন।
বলা বাহুল্য, হলিস্টিক চিকিৎসা একটি পরীক্ষিত বিজ্ঞান সম্মত চিকিৎসা পদ্ধতি যা আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত। হৃদরোগের চিকিৎসা হিসেবে বহুল আলোচিত দুটি প্রচলিত পদ্ধতি_ বাইপাস ও স্ট্যান্টিং। এ দুটিই অপারেশন। কিন্তু ডাক্তাররা অনেক সময়ই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানিয়ে দেন যে রোগীর অপারেশন করার মতো অবস্থা নেই। কারণ নিম্নরূপ _হার্টের পাম্পিং ক্ষমতা বেশি কমে গেলে (ঊঋ<৩০%, গচও<২০%), মাল্টিপল ব্লকেজ, বেশি বয়স। তাছাড়া অনেক সময় অপারেশন করতে পারলেও সেটা হয়ে ওঠে মহা ঝুঁকিপূর্ণ। এরকম পরিস্থিতিতে কি রোগী নিজেকে ভাগ্যের হাতে সঁপে দিয়ে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন? নিশ্চয়ই নয়। তাছাড়া_ যিনি ডায়াবেটিসে ভুগছেন, যার একবার বা একাধিকবার হার্টঅ্যাটাক হয়ে গেছে, যার আর্টারি ব্লকেজের সঙ্গে অন্যান্য জটিল রোগ আছে, যিনি ভয় পান, এনজিওপ্লাস্টি বা বাইপাস সার্জারির পরও যার পুনরায় ব্লকেজ ধরা পড়েছে। উপরোক্ত পরিস্থিতিতে অনিবার্য হয়ে ওঠে হলিস্টিক চিকিৎসা।অপারেশন বা কাটা ছেঁড়া ছাড়াও যে ভিন্ন পদ্ধতিতে হৃদরোগের চিকিৎসা করা সম্ভব_ তা হলো এ পদ্ধতি।
বিশ্বের প্রতিটি দেশেই এখন এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা হচ্ছে।হৃদরোগীদের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনে এবং নিয়মিত ভাবে কিছু যোগা ব্যয়াম, মেডিটেশন করলেও রোগের প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়।
সূত্র - বাংলাদেশ প্রতিদিন

