
আধা পাকা চুল তোলা সঠিক সমাধান নয় আমাদের অনেকেরই ধারণা যে, আধা পাকা চুল তুলে ফেললেই সেটি আর গজাবে না। এই ধারণার বশবর্তী হয়েই যাদের চুল সবে পাকতে শুরু করেছে অর্থাৎ কালো ও সাদারম ধ্যবর্তী রঙ ধূসর হতে শুরু করেছে, তারা সেটি উপড়ে ফেলেন। কিন্তু এই ধারণা মোটেও ঠিক নয়। আবার অনেকের ধারণা, একটি ধূসর চুল তুললে সেটি থেকে দু’টি ধূসর চুল গজায়। এটাও ঠিক নয়। মূলত একটি চুল তুলে ফেললে চুলের মূল থেকে অপর একটি চুল গজায়। তরুণদের চুল কালো আর বয়স্কদের চুল সাদা,এটা বয়সের তারতম্যের কারণে হয়। কিন্তু যখনই একজন মাঝবয়সী লোকের চুল ধূসর হতে শুরু করে, তখনই সে বয়স কমানোর পন্থা হিসেবে সেই চুলটাকে তুলে ফেলতে উদ্ধত হয়।এটা সঠিক নয়।
স্বাস্থ্য রক্ষায় হলুদের ব্যবহার এখন শুধু মসলা হিসেবেই সীমিত নেই। দিন দিন এর নতুন নতুন উপকারিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগেই জানা গেছে, হলুদের একটি উপাদান ‘কারকিউমিন’ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। তাই অ্যালজেইমার্স ডিজিজের সাথে সম্পর্কিত অ্যামাইলয়েড গ্লাক গঠনকে কমায়। এ ছাড়াও এটি অ্যালকোহলের ক্ষতি থেকে লিভারকে রক্ষা করে, সিস্টিক ফাইব্রোসিস প্রতিরোধ করে, টিউমারের বৃদ্ধি স্থগিত করে। বর্তমানে প্রমাণিত হয়, কারকিউমিন উপরি উক্ত রোগ গুলোর সুরক্ষা দেয়, সেই সাথে ক্রনস ডিজিজ, প্রদাহ জনিত পেটের পীড়া, সোরিয়াসিস, কোলন ও পেনক্রিয়াটিক ক্যান্সার প্রভৃতির প্রতিরোধ এবং চিকিৎসার জন্যও উপকারী।
গবেষণা থেকে এটাও বেরিয়ে এসেছে, কালো গোল মরিচের একটি উপাদান ‘পিপারিন’ রক্তে কারকিউমিনের প্রাপ্যতা বাড়ায়।সয়াদুধ খাওয়ার আগে ঝাঁকাতে হবে ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস দুধ। প্রাকৃতিক দুধ আজকাল প্রায় দুর্লভই বলা চলে। বাজারজাত করা সয়াদুধ ক্যালসিয়ামের বড় উৎস। ক্রেগটন ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা বাজারের বেশির ভাগ সয়া দুধ নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখেন, দুধের প্রায় ৮০ ভাগ ক্যালসিয়ামই নিচের অংশে তলানি পড়ে থাকে। ফলে নিজের অজান্তেই এটি প্যাকেটে থেকে যায়। তাই গবেষকদের পরামর্শ হচ্ছে, সয়া দুধ খাওয়ার আগে বেশ করে ঝাঁকিয়ে নিন।
চোখে লেন্স ব্যবহার দৃষ্টিশক্তির ত্রুটি দূর করতে ল্যাসিক বহুল আলোচিত, কার্যকর ও স্থায়ী পদ্ধতি। কিন্তু ব্যয়বহুল বলে অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়। এ ছাড়াও অনেকেই বেশ খুঁতখুঁতে। তাদের জন্যই অস্থায়ী চিকিৎসা হিসেবে ‘কন্টাক্ট লেন্স’ ব্যবহার করা যেতে পারে। এই পদ্ধতিকে বলা হয় কর্নিয়াল রিফ্রাকটিভ থেরাপি।এই পদ্ধতির প্রথমেই একটি চোখের পরীক্ষা করা হয়। তার পর অপটোমেট্রিস্ট আপনাকে কন্টাক্ট লেন্স ফিট করে দেবেন, যেটা আপনি শুধু রাতের বেলা ব্যবহার করবেন। এই লেন্স আপনার কর্নিয়াকে পুনরাকৃতি দান করবে। এর মাধ্যমে আপনি প্রায় ১৮ ঘণ্টা স্বাভাবিক থাকতে পারবেন। তবে শুধু ক্ষীণ দৃষ্টির লোকেরাই এটা থেকে উপকার পাবেন।
সূত্র - নয়া দিগন্ত

