home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

সুইসাইড রিস্ক ফ্যাক্টর
১৫ সেপ্টেম্বর, ১৩
View in English
Tagged In:  motivation  

সুইসাইড বা আত্মহত্যা প্রতিরোধে এর রিস্ক ফ্যাক্টরগুলো এবং সতর্ক সংকেতসমূহ জেনে নেয়া একান্ত প্রয়োজন।

সুইসাইড রিস্ক ফ্যাক্টর
কিছু কিছু অবস্থা কিংবা পরিস্থিতি সুইসাইডের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। যার মধ্যে আছেঃ

কোন নিকটজন বা প্রিয়তম বন্ধুর মৃত্যু কিংবা মূমূর্ষু অবস্থা।

ডিভোর্স অথবা সেপারেশন বা সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়া।

স্বাস্থ্যের মারাত্মক অবনতি (শারীরিক কিংবা মানসিক)।

চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়া, গৃহহীন হওয়া, অর্থ, পদমর্যাদা হানি, নিজের সম্পর্কে নিরাশ হওয়া অথবা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চরমভাবে ক্ষুন্ন হওয়া।

এ্যালকোহল বা ড্রাগে আসক্ত হওয়া।

হতাশায় ডুবে যাওয়া।

এছাড়া যেসব সময়ে মানুষ সুইসাইড এর ভাবনায় নিমগ্ন থাকতে পারে, সেগুলো হলঃ

  • ছুটির দিনগুলি।
  • বিভিন্ন বার্ষিকী যেমন জন্ম, বিয়ে কিংবা মৃত্যু ইত্যাদি।
  • চরম রোগ ভোগের পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার প্রথম সপ্তাহ।
  • এন্টি-ডিপ্রেসেন্ট ঔষধ গ্রহনের শুরুর দিনগুলি।
  • মারাত্মক কোন রোগ সনাক্ত হওয়ার পর পর।
  • সাজা ঘোষনার পূর্বে এবং চলাকালীন সময়ে।

যেসব কারনে আবেগতাড়িত হয়ে সুইসাইড ভাবনা আসেঃ

  • অসহ্য যন্ত্রণা
  • সম্পূর্ন আশাহত হওয়া
  • পুরোপুরি ক্ষমতাহীন হওয়া
  • অকর্মন্যতা, লজ্জা, দোষী সাব্যস্ত হওয়া, নিজের প্রতি চরম ঘৃনা
  • নিয়ন্ত্রন হারানোর ভয় এবং নিজের বা অন্যের দ্বারা মারাত্মক ক্ষতির সম্ভাবনা

যাদের আচরনগত সমস্যা আছেঃ

বিষন্ন/বিমর্ষ, সামাজিক মেলামেশা বন্ধ করে দেয়া, ক্লান্তি, আগ্রহহীনতা, উদবিগ্নতা, রাগে ফেটে পড়া।

স্কুলে, কাজে কিংবা অন্যান্য কার্যকলাপে যথাযথ পারফর্ম বা নৈপুন্য না করতে পারা।

সামাজিকভাবে একঘরে হয়ে পড়া অথবা ভুল জায়গায় গিয়ে অপমানিত হওয়া।

সেক্স এ আনন্দ না পাওয়া, বন্ধুদের আড্ডা কিংবা অন্য কোন কাজে আনন্দ না পাওয়া।

ব্যক্তিগত কল্যান বা মঙ্গল অবহেলিত হওয়া।

খাওয়া কিংবা ঘুমানোর অভ্যাসে জটিল কোন পরিবর্তন হওয়া।   

 

এ্যাবাউট ডট কম গাইড থেকে সংক্ষেপিত

সৌজন্যেঃ হেলথ প্রায়র ২১

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: এন্ডোস্কোপি
Previous Health Tips: 10 Mysterious Pain You shouldn’t Ignore Part-2

আরও স্বাস্থ্য টিপ

7 COMMON THINGS THAT DETERIORATES YOUR VISION

Close Vision Work Promotes Eye Problems Without a doubt, going through a manuscript, journal as well as anything at all close-up distances could make your eye sight in the long run a whole lot worse. This is caused due to “MYOPIA” or near sightedness. Let me explain After hours... আরও দেখুন

Healing after a divorce or breakup

Why do breakups hurt so much, even when the relationship is no longer good? A divorce or breakup is painful because it represents the loss, not just of the relationship, but also of shared dreams and commitments. Romantic relationships begin on a high note of excitement and hope for the... আরও দেখুন

জিহ্বায় ব্যথা ও জ্বালাপোড়া

জিহ্বায় ব্যথাকে ডাক্তারি ভাষায় গ্লসোডাইনিয়া বলা হয়। গ্লসো বলতে বোঝায় জিহ্বা আর ডাইনিয়া অর্থ ব্যথা। জিহ্বার ব্যথার সঙ্গে জ্বালাপোড়া ভাব অনুভূত হতে পারে সেগুলো হলো_ দীর্ঘমেয়াদি মুখের প্রদাহ দাঁত তোলার সময় স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে। শুষ্ক মুখের বিরূপ প্রতিক্রিয়া মুখে ছত্রাক... আরও দেখুন

কর্মক্ষেত্রে প্রতিদিনের ব্যায়াম

বিশ্বের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ বিভিন্ন ধরনের দাপ্তরিক বা অফিসের কাজে নিয়োজিত থাকেন। এর মধ্যে ৪০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষই জীবনে কোনো না কোনো সময় হাড়, সন্ধি, পেশির সমস্যায় আক্রান্ত হন যা তাঁদের দাপ্তরিক কাজের সঙ্গে জড়িত। স্বাস্থ্যকর উপায়ে কী করে দাপ্তরিক কাজ সম্পাদন করা যায়, তা নিয়ে চিকিৎসা... আরও দেখুন

কব্জির ব্যথায় চিকিৎসা

কব্জির ব্যথা নানা কারণে হতে পারে। আঘাত পাওয়া, দীর্ঘক্ষণ কব্জির মাধ্যমে কোনো কাজ করা, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, এসএলই গাউট ও অন্যান্য বাত জাতীয় ব্যথা হতে পারে। বাত জাতীয় রোগে হাতের কব্জিতে ব্যথা হলে বিশ্রাম নিলে কমে যায়। কাজ করলে বেড়ে যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কব্জির ব্যথা বিশ্রাম নিলেই কমে যায়।... আরও দেখুন

তৈরী করুন ন্যাচারাল স্ক্রাব

ত্বকের ডেড সেল এবং এর গভীরে জমে থাকা ময়লা দূর করতে বাজারে নানা রকমের স্ক্রাব পাওয়া যায়। কিন্তু আপনি চাইলে হাতের কাছের প্রাকৃতিক কিছু উপাদান দিয়ে ঘরে বসেই স্ক্রাব হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। মুখের ত্বক যেহেতু খুব স্পর্শকাতর তাই পাউডার ধরনের স্ক্রাবই বেছে নেয়া উত্তম। আর কথা না বাড়িয়ে... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')