সুইসাইড বা আত্মহত্যা প্রতিরোধে এর রিস্ক ফ্যাক্টরগুলো এবং সতর্ক সংকেতসমূহ জেনে নেয়া একান্ত প্রয়োজন।
সুইসাইড রিস্ক ফ্যাক্টর
কিছু কিছু অবস্থা কিংবা পরিস্থিতি সুইসাইডের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। যার মধ্যে আছেঃ
কোন নিকটজন বা প্রিয়তম বন্ধুর মৃত্যু কিংবা মূমূর্ষু অবস্থা।
ডিভোর্স অথবা সেপারেশন বা সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়া।
স্বাস্থ্যের মারাত্মক অবনতি (শারীরিক কিংবা মানসিক)।
চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়া, গৃহহীন হওয়া, অর্থ, পদমর্যাদা হানি, নিজের সম্পর্কে নিরাশ হওয়া অথবা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চরমভাবে ক্ষুন্ন হওয়া।
এ্যালকোহল বা ড্রাগে আসক্ত হওয়া।
হতাশায় ডুবে যাওয়া।
এছাড়া যেসব সময়ে মানুষ সুইসাইড এর ভাবনায় নিমগ্ন থাকতে পারে, সেগুলো হলঃ
- ছুটির দিনগুলি।
- বিভিন্ন বার্ষিকী যেমন জন্ম, বিয়ে কিংবা মৃত্যু ইত্যাদি।
- চরম রোগ ভোগের পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার প্রথম সপ্তাহ।
- এন্টি-ডিপ্রেসেন্ট ঔষধ গ্রহনের শুরুর দিনগুলি।
- মারাত্মক কোন রোগ সনাক্ত হওয়ার পর পর।
- সাজা ঘোষনার পূর্বে এবং চলাকালীন সময়ে।
যেসব কারনে আবেগতাড়িত হয়ে সুইসাইড ভাবনা আসেঃ
- অসহ্য যন্ত্রণা
- সম্পূর্ন আশাহত হওয়া
- পুরোপুরি ক্ষমতাহীন হওয়া
- অকর্মন্যতা, লজ্জা, দোষী সাব্যস্ত হওয়া, নিজের প্রতি চরম ঘৃনা
- নিয়ন্ত্রন হারানোর ভয় এবং নিজের বা অন্যের দ্বারা মারাত্মক ক্ষতির সম্ভাবনা
যাদের আচরনগত সমস্যা আছেঃ
বিষন্ন/বিমর্ষ, সামাজিক মেলামেশা বন্ধ করে দেয়া, ক্লান্তি, আগ্রহহীনতা, উদবিগ্নতা, রাগে ফেটে পড়া।
স্কুলে, কাজে কিংবা অন্যান্য কার্যকলাপে যথাযথ পারফর্ম বা নৈপুন্য না করতে পারা।
সামাজিকভাবে একঘরে হয়ে পড়া অথবা ভুল জায়গায় গিয়ে অপমানিত হওয়া।
সেক্স এ আনন্দ না পাওয়া, বন্ধুদের আড্ডা কিংবা অন্য কোন কাজে আনন্দ না পাওয়া।
ব্যক্তিগত কল্যান বা মঙ্গল অবহেলিত হওয়া।
খাওয়া কিংবা ঘুমানোর অভ্যাসে জটিল কোন পরিবর্তন হওয়া।
এ্যাবাউট ডট কম গাইড থেকে সংক্ষেপিত
সৌজন্যেঃ হেলথ প্রায়র ২১

