আজ বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস। জানেন কি বিশ্বে যতগুলো কারনে মানুষ মারা যায়, তার প্রধান ২০টি কারনের একটি আত্মহত্যা। বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ১০ লক্ষ লোক আত্মহত্যা করে।
মানসিক অসুস্থতা, হতাশা, অতিরিক্ত এ্যালকোহল আসক্তি, এ্যাবিউজ, সহিংসতা, চুড়ান্ত ক্ষতি, সামাজিক-সাংস্কৃতিক বৈষম্য, ইত্যাদি নানা কারনে মানুষ আত্মহত্যার মত কঠিন পথ বেছে নেয়।
আত্মহত্যা সংক্রান্ত কিছু তথ্য
Ø প্রতি ৪০ সেকেন্ডে একজন মানুষ আত্মহত্যা করে।
Ø সারা বিশ্বে বিগত ৪৫ বছরে আত্মহত্যার হার শতকরা প্রায় ৬০ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে।
Ø যত লোক আত্মহত্যা করে তার চেয়ে প্রায় ২০ গুন বেশি মানুষ আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়।
Ø মেয়েদের তুলনায় পুরুষরা আত্মহত্যা বেশি করে।
Ø উন্নত কিংবা উন্নয়নশীল উভয় রকম দেশেরই উঠতি বয়সিদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবনতা বাড়ছে।
প্রতিরোধে করনীয়
ü আত্মহত্যার উপকরণ সম্পর্কে সজাগ থাকা, উপকরণসমূহ যাতে আত্মহত্যাপ্রবণ লোকদের হাতের নাগালের বাইরে থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখা। যেমন আগ্নেয়াস্ত্র, বিষ এবং বিষাক্ত পদার্থ ইত্যাদি।
ü আত্মহত্যা করতে পারে এমন লোকদের সনাক্তকরন ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ। বিশেষ করে যারা মেন্টাল ডিজঅর্ডারে ভোগে তাদের যথাযথ স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবাসমূহ নিশ্চিত করা।
ü বিভিন্ন মিডিয়াতে আত্মহত্যার নেতিবাচক দিক তুলে ধরে রিপোর্ট করা।
চ্যালেঞ্জ ও বাধাসমূহ
v বিশ্বজুড়ে আত্মহত্যা প্রতিরোধ বিষয়টি যথাযথ গুরুত্ব পায় না। কারন সচেতনতার অভাব।
v কোন কোন সমাজে আত্মহত্যা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা নিষিদ্ধ বিষয় হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
v আত্মহত্যার বিষয়টিতে প্রয়োজন মাল্টি-সেকটোরাল এ্যাপ্রোচ। বিশেষ করে হেলথ এবং নন-হেলথ সেক্টরসমূহ যেমনঃ শিক্ষা, শ্রম, পুলিশ, বিচার, ধর্ম, আইন, রাজনীতি, এবং অতি অবশ্যই মিডিয়া।
ডব্লিউএইচও থেকে সংক্ষেপিত
সৌজন্যেঃ হেলথ প্রায়র ২১

