home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

রিবন্ডিং চুলের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও যত্ন
১৫ জানুয়ারী, ১৪
Tagged In:  hair care  rebonding hair  
  Viewed#:   135

rebonding-hair-careহালফ্যাশনের এ যুগে প্রতিবছর ঘুরেফিরে চুলের ফ্যাশনে আসে নতুন নতুন পদ্ধতি। কখনও বয়কাট দিয়ে চুল ছোট রাখা, কখনও লম্বা ও মাঝারি নানান ধরনের হেয়ার কাট। সময়ের তালে তালে এ যুগের বেশির ভাগ ফ্যাশন সচেতন তরুণী সোজা চুলের পাশাপাশি চুলে কালার করে রাখতে বেশি পছন্দ করেন। কারণ সোজা চুল মানেই আঁচড়ানোর ঝামেলা থেকে মুক্তির পাশাপাশি যে কোনো পছন্দসই হেয়ার লুক আনা সম্ভব। তাই এককথায় বলা যায়, সোজা চুল সামলানো অনেক সোজা। আর তাই তো আঁকাবাঁকা ও কোঁকড়া টাইপের যে কোনো ধরনের চুলকে আধুনিক পদ্ধতিতে কৃত্রিম উপায়ে রিবন্ডিংয়ের মাধ্যমে সোজা করা হয়। আর এই রিবন্ডিংয়ে রয়েছে নানা ধরনের সিল্ক, পাম্প ও স্ট্রেট। কোনোটির মেয়াদ এক বছর, কোনোটির মেয়াদ ছয় মাস।

হেয়ার রিবন্ডিংয়ের খরচ সর্বনিম্ন ৩ হাজার থেকে শুরু করে ২১ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। কিন্তু হেয়ার রিবন্ডিং করার পর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অনেক বেশি চুল পড়ার অভিযোগ আসে। এ ক্ষেত্রে শুধু চুলই পড়ে না, মাথার ত্বকে লেগে গেলে অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়ে থাকে। আসুন হেয়ার রিবন্ডিংয়ের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
# রিবন্ডিংয়ে ব্যবহৃত কেমিক্যাল চুলের গোড়া নরম করে দেয়। ফলে হেয়ার রিবন্ডিংয়ের সময় কমবেশি কিছু চুল পড়বেই।
# হেয়ার রিবন্ডিংয়ের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো এটি মানবদেহে বিশেষ করে মাথার ত্বকে ক্যান্সারের সৃষ্টি করতে পারে। কারণ হেয়ার রিবন্ডিং করার কিটে এমন একটি উপাদান ব্যবহৃত হয়ে থাকে যেটি চুলকে দীর্ঘদিন সোজা রাখতে সহায়তা করে। আর এই কিট যদি বেশি মাত্রায় চুলে ব্যবহার করা হয়, তাহলে এটি বেশ ক্ষতিকারক হয়ে যায় এবং ত্বকে ক্যান্সার ডেভেলপ করতে সহায়তা করে।
# মাথার স্কাল্ফে শুষ্ক চুলকানি এবং খুশকি হতে পারে।
# দুর্বল চুলের ক্ষেত্রে অনেক সময় অতিরিক্ত হিট এবং কেমিক্যাল বেশি হলে প্রচুর চুল পড়তে পারে। এমনকি টাকও হয়ে যেতে পারে।
# চুলের আগাফাটা সমস্যা জটিল আকার ধারণ করার পাশাপাশি চুল রুক্ষ ও দুর্বল হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি মাথাব্যথা, স্কিন জ্বলা, মাথার স্কিন ও চুল চুলকানো এবং নাক দিয়ে রক্ত পড়ার মতো কিছু সমস্যা দেখা যেতে পারে।

রিবন্ডিং চুলের যত্ন
এসব সমস্যার হাত থেকে সহজে রক্ষা বা প্রতিকার পেতে হলে হেয়ার রিবন্ডিংয়ের পর কিছু বিশেষ উপায়ে চুলের যত্ন নিতে হবে।
# রিবন্ডিং করা চুল গরম পানি দিয়ে ধোয়া যাবে না, সবসময় ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চুল ধুলে বা পরিষ্কার করলে চুলের মান ভালো থাকে;
# নিয়মিতভাবে চুলে শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে;
# চিকন দাঁতের চিরুনি বর্জন করতে হবে এবং মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়াতে হবে;
# ভেজা অবস্থায় চুল বেঁধে রাখা যাবে না;
# শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার করার পর সম্পূর্ণভাবে সেটা ধোয়া হয়েছে কি-না, সব সময় খেয়াল রাখতে হবে;
# চুলে শ্যাম্পু করার আগে সপ্তাহে ৩-৪ বার কুসুম গরম নারকেল তেলের সঙ্গে চুলের ভিটামিন ক্যাপসুল ম্যাসাজ করা যেতে পারে।
# চুল রিবন্ডিং করার পর নতুন করে কোনো কালার, হাইলাইটস বা চুলের স্টাইল না করাই ভালো।
# গোসলের পর চুল খুব ভালোভাবে শুকাতে হবে, এ ক্ষেত্রে সরাসরি সূর্যের আলোয় শুকানো যাবে না।
# সপ্তাহে ২-৩ বার চুলে হেয়ার মাস্ক লাগানো যেতে পারে, কারণ এতে চুল প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবে।
# বেশি করে পুষ্টিকর খাবার_ মাছ, মাংস, বাদাম, দুধ ও ফল খেতে হবে।
# চুল কখনোই বেণি করে রাখা যাবে না।
# একটি কলা, একটি ডিম, ৫ চামচ টক দই ব্লেন্ড করে বাসায় প্রোটিন প্যাক বানিয়ে আধঘণ্টা চুলে রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে।

তথ্যসূত্র: শৈলী/সমকাল

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: যে ৯ বিষয় পুরুষ নারীকে বলতে চায় না
Previous Health Tips: আপনাদের সম্পর্ক যথেষ্ট শক্তিশালী এবং আজীবনের জন্য কিনা তা বোঝার ৬ টি লক্ষণ

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')