বয়স এমন একটি বিষয় যা আমরা পরিহার করতে বা থামাতে পারি না এবং চুল পেকে যাওয়া বয়স বৃদ্ধির একটি অংশ। আমাদের সকলেরই জীবনের এক পর্যায়ে এসে চুল পেকে যাবে, কিন্তু কেন এটি ঘটে? কিভাবে আমরা এটি বিলম্বিত এবং এর চিকিৎসা করতে পারি?
কেন এটি হয়?
চুল মূলত সাদা, তবে তাতে মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থ তৈরি হয় যাতে দুই রকম রঞ্জক পদার্থ আছেঃ এর একটি গাঢ় এবং একটি হালকা। যখন এ দুটি ভিন্ন অনুপাতে মিশ্রিত হয় তখন বিভিন্ন রঙের সৃষ্টি হয়, এ কারণে আমাদের বিভিন্ন রঙের চুল হয়ে থাকে। আমাদের মাথার খুলির চামড়ায় প্রতিটি চুলের গোড়াতে মেলানিন থাকে। যখন melanocytes নামে মেলানিন উৎপাদনকারী কোষ কম সক্রিয় হয়ে যায় বা এ রঙ তৈরির জন্য আর কোন কোষ অবশিষ্ট না থাকে তখন চুল পেকে যায়।
বিশেষ কিছু কারণ আছে যা চুলের স্বাভাবিক রঞ্জক কার্যক্রমের পরিবর্তন এনে দিতে পারে এবং চুল পাকার হার বাড়িয়ে দিতে পারেঃ
১. বংশগত কারণ
সময়ের পূর্বে চুল পেকে যাওয়া বলে একটি বিষয় আছে, যাতে দেখা যায় ২০ বছর বয়স পর্যন্ত চুলের স্বাস্থ্য বেশ ভাল থাকে যা এর পরে পাকা শুরু হয়। এটা কয়েকটি কারণে হতে পারে, যেমন মানসিক চাপের কারণে, কিন্তু বেশীর ভাগ সময়ে এটি জিনগত কারণে হতে দেখা যায়।
আপনার চুল কখন পাকা শুরু হবে তা জিন নির্ধারণ করে দিবে, এমনকি তা মাথায় টাক পরার ক্ষেত্রেও। জিন আলাদা ভাবে প্রতিটি চুলের গোঁড়ার স্বাভাবিক রঞ্জক কার্যক্রমের সামর্থ্য নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
২. ধূমপান
এটা জানা গেছে যে সাধারণের চেয়ে ধূমপায়ীদের চুল পাকার সম্ভাবনা ৪ গুণ বেশী হয়ে থাকে।
৩. রক্ত স্বল্পতা
বি ভিটামিনের ঘাটতি, থাইরয়েডের সমস্যা এবং অন্যান্য রোগের কারণে অকালে চুল পেকে যেতে পারে।
৪. কিছু ঔষধ আপনার শরীরকে যেমন, তেমনি চুলকেও প্রভাবিত করে থাকে।
৫. বয়স
বয়স বাড়ার সাথে সাথে মেলানিনের উৎপাদন কমে যায়। চুল ধূসর হতে শুরু করে এবং অবশেষে সাদা হয়ে যায়।
৬. হাইড্রোজেন পার অক্সাইড
এ রাসায়নিক চুলের গোঁড়ায় তৈরি হয়ে থাকে, যার কারণে ক্রমে চুলের রঙ ফিকে হয়ে যায়।
সমাধানঃ
-আপনি semi-permanent বা demi-permanent রঙ দিয়ে চুল উজ্জ্বল করতে বা রাঙাতে পারেন

