home top banner

Health Tip

চুল রিবন্ডিং করার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই মনে রাখবেন
12 May,14
Tagged In:  hair care  rebonding hair  
  Viewed#:   148

rebonding-hairনিত্য নতুন ফ্যাশানের ট্রেন্ড পরিবর্তনের সাথে সাথে অনেক কিছুরই পরিবর্তন হয়। আর এরই সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে অনেকেই নিজের ঢেউ খেলানো কিংবা কোঁকড়া চুলগুলো রিবন্ডিং করে স্ট্রেইট করে ফেলেন। স্ট্রেইট চুল বর্তমানের ফ্যাশনে অনেক বেশি চলছে। এর সুবিধা হলো খুব সামান্যতেই চুল গুছিয়ে রাখা যায় এবং দেখতেও বেশ ভালো লাগে। চুল রিবন্ডিং আপাত দৃষ্টিতে বেশ ভালো মনে হলেও এটি হতে পারে চুলের মারাত্মক ক্ষতির কারণ। চুল রিবন্ডিং করার পর চুলের বেশ ভালো যত্ন না নিলে চুলের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই চুল রিবন্ডিংএর ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিষয় রয়েছে যা মাথায় রাখা বেশ জরুরী।


চলুন তবে জেনে নেয়া যাক চুল রিবন্ডিংএর জরুরী বিষয়গুলো -- 
 
♦  চুল রিবন্ডিং করার পর যতো ভাবেই যত্ন নেন না কেন চুল পড়বেই। এবং চুলের মাঝ থেকে ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনাও দেখা যাবে। কারণ যেসকল কেমিক্যাল ব্যবহার করে চুল রিবন্ডিং করা হয় তা চুলের গোঁড়া নরম করে দেয় এবং চুলের ফলিকল দুর্বল করে ফেলে।
♦  চুল রিবন্ডিং করার পরবর্তী কিছু দিন বেশ গুরুত্বপূর্ণ সময়। কারণ এই সময় ঠিক মতো চুল সেট না হলে রিবন্ডিংও বেশিদিন থাকবে না এবং চুলেরও বেশ বড় ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
♦  গরম কালে অর্থাৎ এই সময় চুল রিবন্ডিং করালে আলাদা করে বিশেষ যত্ন নেয়া জরুরী। বেশ ভালো ব্যান্ডের শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনে রিবন্ডিং চুলের জন্য যে আলাদা ধরণের শ্যাম্পু পাওয়া যায় তা ব্যবহার করতে হবে। 
♦  এই আবহাওয়ায় রিবন্ডেড চুল একেবারেই খোলা রাখা যাবে না। বাইরে বেরুতে হলে অবশ্যই চুল ঢেকে বের হতে হবে। কারন সূর্যের আলোয় রিবন্ডেড চুল খুব দ্রুত ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
♦  চুল রিবন্ডিংএর পরপরই চুলে শ্যাম্পু কিংবা অন্যকোন হেয়ার মাস্ক ব্যবহার ভুলেও করবেন না। অন্তত তিন দিন পরে শ্যাম্পু করুণ। এতে রিবন্ডিং চুল সেট হবে। এবং কেমিক্যাল ও শ্যাম্পুর কোনো রিঅ্যাকশন হবে না।
♦  চুল রিবন্ডিং এর পরে অবশ্যই পার্লারের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক চুলের প্রোটিন প্যাক এবং হেয়ার সেরাম নিয়মিত লাগাতে হবে। এতে করে চুলের কম ক্ষতি হবে। চুলের ফলিকল খুব বেশি দুর্বল হবে না।
♦  বাসায় প্রোটিন প্যাক বানিয়ে চুলে লাগাতে পারেন। ১ টি কলা, ১ টি ডিম, ৫ টেবিল চামচ টক দই ব্লেন্ডারে দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর এই প্যাকটি চুলে দিয়ে রাখবেন আধা ঘণ্টা। এতে চুল পুষ্টি পাবে।

তথ্যসূত্র: প্রিয় লাইফ

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: যেখানে বেশি চুরি হয় মোবাইল
Previous Health Tips: চকচকে সাদা দাঁতের জন্য ৭ সতর্কতা

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')