৫০ মিলি. নারকেল তেল, ৫০ মিলি. তিলের তেল, ১০ গ্রাম মেথি, ১০ গ্রাম আমলকী, ১০ গ্রাম জবাফুল একসঙ্গে মিশিয়ে একটি স্টিলের পাত্রে রেখে হালকা গরম করে তেলটি ম্যাসাজ করতে হবে। এক ঘণ্টা পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলতে হবে।
চুলের প্যাক : শীতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। মাথার ত্বকেও এর প্রভাব পড়ে। ফলে চুলে অতিরিক্ত খুশকি হয়। এ জন্য সপ্তাহে অন্তত একদিন প্রোটিন প্যাক ব্যবহার করতে হবে। আমলকীগুঁড়া, হরীতকীগুঁড়া, বহেরাগুঁড়া, মেথিগুঁড়া, ব্রাহ্মিগুঁড়া, হেনাগুঁড়া, ডিমের সাদা অংশ, টক দই, পানি একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে আধা ঘণ্টা মেখে রাখতে হবে। পরে ম্যাসাজ করে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এটি চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে এবং খুশকি দূর হবে।
কন্ডিশনার : চুল ধোয়ার পর সব সময় কন্ডিশনার ব্যবহার করা ভালো। চুলের ময়েশ্চার বজায় রাখতে ভালো ব্র্যান্ডের কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। যদি বাইরের কন্ডিশনার ব্যবহার করতে না চান তবে ঘরে বসেই তৈরি করতে পারেন প্রাকৃতিক কন্ডিশনার। এ ক্ষেত্রে চা-পাতা ব্যবহার করতে পারেন। আগের দিন চা-পাতা ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর চুল শ্যাম্পু করে ধোয়ার পর চা-পাতার পানি ঢালতে হবে। সবশেষে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে চুল সিল্কি হবে। যদি চুল রুক্ষ হয়, তবে সপ্তাহে ২ দিনের বেশি শ্যাম্পু করবেন না।

