home top banner

Health Tip

ভালো থাকার নতুন নাম হরমোন থেরাপি
16 January,14
Tagged In:  hormone therapy  chemotherapy  
  Viewed#:   177

hormone-therapyঋতুবন্ধের পর হরমোন থেরাপি করালে মুড-হাড়-হার্ট ভালো থাকে৷ ভালো হয় যৌন জীবন৷ ব্রেস্ট ক্যান্সারের আশঙ্কাও যে বাড়ে এমন নয়৷ কাজেই...৷

মা-খালার ধারা মেনে ৪০ পেরোতে না পেরোতেই শুরু হল ঋতুবন্ধের প্রস্ত্ততি৷ এক মাস পিরিয়ড হয় তো দু-তিন মাস বন্ধ, আবার আসে বানভাসি রূপে৷ থেকে থেকে কান-মাথা গরমের ঝামেলা আর মুড অফের সাঁড়াশি আক্রমণে জেরবার জয়তী একবার ভাবে হরমোন থেরাপি করারে, আবার পিছোয়৷ ভয়! ব্রেস্ট ক্যান্সারের৷ তবে খবরাখবর রাখা ছাড়ে না৷ ছাড়লে চলবেই বা কেন! সহবাসের কথা ভাবলেই যে তার গায়ে জ্বর আসছে আজকাল! আর তাতে বেজায় বিরক্ত হচ্ছেন স্বামী৷ সংসার তরণী যাকে বলে টলমল করা শুরু করেছে ঋতুবন্ধের মুখপাত থেকেই৷ স্বামী-স্ত্রী দু-জনেই জানে হরমোনটুকু অঙ্গে ধারণ করলেই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে৷ কিন্তু...৷ 'কিন্তু'-র উত্তর একদিন আচমকাই নজরে আসে জয়তীর৷ নেট খুলে খুটখাট করতে করতে চোখ আটকে যায় এক বিশেষ খবরে, হরমোন থেরাপি করালে ব্রেস্ট ক্যান্সার যে বাড়ে বলে ধারণা, তার স্বপক্ষে নাকি কোনো যুক্তিই খুঁজে পাননি বিজ্ঞানীরা৷ বরং দেখা গেছে এই থেরাপি করালে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের চান্স তো কমেই, ওভারি-ইউটেরাস ক্যান্সারের আশঙ্কাও নাকি কমতে পারে৷ জয়তীকে আর পায় কে! এত দিনের যাবতীয় দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ঝেড়ে ফেলে এক ছুটে সে চলে যায় হরমোন বিশেষজ্ঞের কাছে৷ মন খুলে কথা বলে৷ তারপর শুরু হয় থেরাপি৷ থেরাপি কাজ করে ঠিক যেন ম্যাজিকের মতো৷ হট ফ্লাশ গায়েব হয়ে যায়৷ চনমন করে মুড৷ ফিরে আসে শরীরের তাগিদ৷ আর তার হাত ধরে ভঙুর সংসার আবার জুড়ে যায় ঠিক খাপে খাপে৷

হরমোন থেরাপি ও যৌন জীবন
জয়তীর ক্ষেত্রে ম্যাজিকের মতো কাজ হলেও দুইয়ের মধ্যে সম্পর্কটা সব সময় অত সরল রৈখিক নয়৷ মধ্য বয়সে যৌন জীবন ছাড়খাড় হওয়ার মূলে থাকে আরও অসংখ্য কারণ৷ হ্যাঁ, ঋতুবন্ধের পরে ভ্যাজাইনাল ড্রাইনেস হলে বা লিবিডো কমলে হরমোনের একটা ট্রায়াল দেওয়া হয় ঠিকই, এবং তাতে সব ঠিক হয়ে গেলে ঘটনাটা হরমোনজনীত ছিল তাও প্রমাণিত হয়, কিন্ত্ত না হলে? দুঃখের বিষয় হরমোন দেওয়ার পরও যৌন আকাঙ্খা না বাড়া বা ভ্যাজাইনাল ড্রাইনেস না কমার সংখ্যা একেবারে কম নয়৷ এর মূলে মধ্য বয়সের মানসিক শূণ্যতা, পার্টনারের প্রতি আগ্রহহীনতা বা তার অসুস্থতা ইত্যাদির যেমন হাত থাকে, হাত থাকে ডায়াবেটিস ও আরও বেশ কিছু ক্রনিক অসুখেরও৷ কিছু বিশেষ অপারেশনে ওই অঞ্চলের নার্ভে চোট লাগলে সমস্যা হয়৷ সমস্যা হয় মধ্য বয়সে যৌন জীবন চালিয়ে নেওয়ার স্বপক্ষে নিজের মনে প্রস্ত্ততি বা যুক্তি না থাকলেও৷ তাছাড়া ৫৫ বছর বয়সের পর হরমোনের অভাবজনীত উপসর্গ মারাত্মকভাবে দেখা না দিলে থেরাপি দেয়াও হয় না৷ কাজেই যৌনতায় মন না লাগলে হরমোনের কথা আগেই না ভেবে অন্য দিকেও একটু নজরদারি চালানো উচিত৷ কাউন্সেলিং করালেও অনেক সময় ভালো কাজ হয়৷

হরমোন কেন ও কখন?
২-৩ বছর ধরে অনিয়মিত পিরিয়ড হওয়ার পর বছর খানেক পিরিয়ড বন্ধ থাকলে রক্তের এফএসএইচ লেভেল মেপে যদি দেখা যায় তা ৪০-এর উপরে আছে, ঋতুবন্ধ হয়েছে ধরে নিতে হয়৷ অর্থাৎ শরীরে শুরু হয় স্ত্রী হরমোনের আকাল৷ এবং অধিকাংশ সময় তার হাত ধরে দেখা দেয় গুচ্ছ গুচ্ছ উপসর্গ৷ কোনওটা তাত্ক্ষণিক৷ কোনওটা দীর্ঘমেয়াদী৷ এবার হরমোন দেয়া হবে কি হবে না তা নির্ভর করে মহিলাটির বয়স ও হরমোনের অভাবে তার কী কী কষ্ট তার উপর৷ বয়স ৪০-এর নীচে হলে দেওয়া হয়ই, ৪০-৫০ বছর বয়সের মধ্যে হলেও দেওয়া হয়৷ মোটামুটি ৫০-৫১ বছর বয়স পর্যন্ত থেরাপি চলার কথা, অর্থাত্ যত দিন না স্বাভাবিকভাবে ঋতুবন্ধের বয়স হয়৷ তবে থেরাপি চুলে যেহেতু পিরিয়ড হয়, অনেকেই সেই ঝামেলা আর টানতে চান না বলে দু-চার বছর পর বন্ধ করে দেন৷ সার্জিকাল মেনোপজ অর্থাত্ কোনও কারণে জরায়ু বাদ হয়ে গেলে কষ্ট এত বেশি হয় যে বাধ্যতামূলকভাবে হরমোন থেরাপি করা হয়৷ এবং এদের জরায়ু থাকে না বলে পিরিয়ড হয় না৷

ঋতুবন্ধের কষ্ট
থেকে থেকে কান-মুখ গরম হয়ে খুব অস্বস্তিকর পরিস্থিতি হয়৷

মন-মেজাজ তিরিক্ষি হয়ে যায়৷ ডিপ্রেশনও আসে অনেকের৷

যৌন ইচ্ছা কমতে পারে৷

ভ্যাজাইনাল ড্রাইনেস হয়৷ তার হাত ধরে কষ্টকর সহবাস ও মাঝে মধ্যেই ইউরিন ইনফেকশন হতে পারে৷

চামড়া রুক্ষ হতে শুরু করে৷

চুল পাতলা হয়৷

হাড় পাতলা হতে শুরু করে৷ বাড়ে ব্যথা-বেদনার প্রকোপ৷ হাড় ভাঙার চান্সও বেড়ে যায়৷

ইস্কিমিক হার্ট ডিজিজের প্রবণতা বাড়ে৷

সব উপসর্গ যে সবার হয় এমন নয়৷ জীবনযাপন নিয়মিত হলে ও সাপোর্টিভ পরিবার থাকলে অনেক সময়ই অল্পের উপর দিয়ে যায় ব্যাপারটা৷ কারও ক্ষেত্রে উপসর্গ হয় পিরিয়ড যখন বন্ধ হবো হবো করছে সেই সময়, যাকে বলে পেরিমেনোপজাল পিরিয়ড৷ কারও হয় পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার পরে৷ কারও অনেক পরে৷ কারও উপসর্গ অল্প মাত্রায় হয়৷ কারও হয় মারাত্মক৷ কারও অল্প দিন থাকে৷ কারও চলতে থাকে৷

কোন ওষুধে হয় থেরাপি
থেরাপি হয় মূলত ইস্ট্রোজেন হরমোন দিয়ে৷ জরায়ু থাকলে তার সঙ্গে প্রজেস্টেরন দিতে হয়৷ জরায়ু না থাকলে প্রজেস্টেরন লাগে না৷ থেরাপি করালে ব্রেস্ট ক্যান্সারের চান্স যে বাড়লেও বাড়তে পারে তার মূলে থাকে এই প্রজেস্টেরন৷ আবার সারা মাস ধরে শুধু ইস্ট্রোজেন দিয়ে গেয়ে জরায়ু ক্যান্সারের চান্স বাড়তে পারে৷ ফলে যাদের জরায়ু আছে প্রথম ৩ সপ্তাহ লো ডোজে ইস্ট্রোজেন পিল দেওয়ার পর চতুর্থ সপ্তাহে দেওয়া হয় ইস্ট্রোজেন প্রজেস্টেরন কম্বাইন্ড পিল৷ ওষুধের প্রভাবে পিরিয়ড শুরু হয়৷ উপসর্গ কম থাকে বা একেবারে সেরে যায়৷ ক্যান্সারের চান্সও থাকে না৷ দু-এক বছর দেওয়ার পর কেউ যদি আর এই পিরিয়ডের ঝক্কি নিতে না চান, বন্ধও করে দেওয়া যায়৷ সার্জিকাল মেনোপজ হলে যেহেতু জরায়ু থাকে না, ওষুধ দিয়ে পিরিয়ড করানোর প্রশ্ন নেই৷ তাদের সারা মাস ধরে খুব কম মাত্রায় ইস্ট্রোজেন থেরাপি চলে যত দিন না স্বাভাবিকভাবে ঋতুবন্ধের বয়স হচ্ছে৷

থেরাপির সুফল
হট ফ্লাস ঠিক হয়ে যায়

মুডের ওঠা-পড়া কম হয়৷ হরমোনের অভাবে মন-মেজাজ তিরিক্ষি হতে তা ঠিক হয়ে যায়৷ কাজেকর্মে কম বয়সের উৎসাহ ফিরে আসে৷

ভ্যাজাইনাল ড্রাইনেস ঠিক হয়ে যায়৷

খুব বেশি অনিয়ম না করলে হার্ট মোটের উপর ভালো থাকে৷

কোলন ও রেক্টাম ক্যান্সারের আশঙ্কা কমে৷ জরায়ু ও ওভারি ক্যান্সারের চান্সও কমতে পারে৷

সাইড এফেক্ট
গা গোলানোভাব৷

কম্বাইন্ড পিল খাওয়ার সপ্তাহে শরীরে একটু ফোলাভাব৷

সামান্য কিছু ক্ষেত্রে মাঝ পথে একটু ব্লিডিং হতে পারে৷

স্ট্রোকের চান্স বাড়ে ৬-৮ শতাংশ৷

ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস নামে পায়ের শিরায় রক্তের ডেলা জমার অসুখের চান্স বাড়ে৷

ব্রেস্ট ক্যান্সার বাড়ে বলে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি এখনও৷

থেরাপি ও জীবন-যাপন
থেরাপি নিন বা না নিন মেনোপজের পর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সাবলিমেন্ট মাস্ট৷ পারলে রোদও একটু গায়ে লাগান৷ হাড় ভাঙার চান্স ও ব্যথা-বেদনা কমাতে এদের বিরাট ভূমিকা আছে৷

নিয়মিত অল্প ওজন নিয়ে চলা-ফেরা করলে হাড়ের উপর যে অতিরিক্ত চাপ পড়ে তাতেই তাদের হাড়ের শক্তি বাড়ে৷

বিড়ি-সিগারেট বা অন্য যেকোনো তামাকের নেশা ছেড়ে দিন৷ কারণ এতে হাড়ের ক্ষয় বাড়ে৷ তাছাড়া, হরমোন থেরাপি নিলে ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস নামে অসুখের চান্স বাড়ে, আগেই বলেছি৷ তামাকের নেশা করলে সে চান্স আরও বেড়ে যায়৷

সয়াবীন ও আরও বেশ কিছু খাবারে রয়েছে প্রাকৃতিক ইস্ট্রোজেন৷ অনেকের ধারণা এ সব খেলে খুব কাজ হয়৷ তবে বৈজ্ঞানিকভাবে এর স্বপক্ষে খুব একটা যুক্তি নেই৷

এ সময় চামড়ার উজ্জ্বলতা কমতে থাকে৷ তবে তার সবটাই হরমোন কমার জন্য নয়৷ কাজেই থেরাপি করলেই যে চামড়া আগের মতো হয়ে যাবে এমন নয়৷ রুক্ষ চামড়ার একটু যত্নআত্তি করুন, সুষম খাবার খান, ভাল করে ঘুমোন, টেনশন কম করুন, সমস্যা অনেক কমে যাবে৷ ফল খেলে চামড়া ভালো থাকে, এ রকম দাবি থাকলেও তার স্বপক্ষে তেমন সাক্ষ্য-প্রমাণ নেই৷

মানসিকভাবে ভালো থাকার চেষ্টা করুন৷ প্রয়োজনে কাউন্সেলিং করান৷ এ সময় নানা কারণে ক্রাইসিস আসতে পারে৷ তার অধিকাংশটাই কিন্ত্ত হরমোনের সঙ্গে সর্ম্পযুক্ত নয়৷

খাওয়া-দাওয়া
চর্বি, মিষ্টি, চিনি, চকলেট খাওয়া কমান৷ ওজন কমবে, ঋতুবন্ধের কারণে হওয়া মানসিক সমস্যাও কম থাকবে৷

ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খান৷ সবুজ শাকসবজি, দুধ, দই, ছানা, খেজুর, ডিমের সাদা, ছোট মাছ৷ মাঝেমধ্যে৷ হাঁটু-কোমরের ব্যথা কমাতে কাজে আসবে৷ সূত্র: ওয়েবসাইট।

সূত্র - natunbarta.com
 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: যে সাত খাবারে গায়ে গন্ধ!
Previous Health Tips: শীতে চুলের যত্ন

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')